ঢাকা   শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

প্রেসিডেন্ট জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত বিপ্লব উদ্যান এখন পতিতার হাট

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২ এএম

প্রেসিডেন্ট জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত বিপ্লব উদ্যান এখন পতিতার হাট

চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক বিপ্লব উদ্যান কেন্দ্রিক অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও ছিনতাই চক্রের উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের পাশাপাশি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান এই কেন্দ্রস্থলটি এখন ভাসমান পতিতা চক্রের দখলে। এতে একদিকে যেমন ক্ষুণ্ণ হচ্ছে স্থানটির ঐতিহাসিক গাম্ভীর্য, অন্যদিকে বিপদগামী হচ্ছে উঠতি বয়সী কিশোর, ছাত্র, পথচারী ও যুব সমাজ।

​সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর ২ নম্বর গেট এলাকায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত বিপ্লব উদ্যান। উদ্যানে টিনের ঘেরা দিয়ে সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে। তবে উদ্যানের চারপাশের ওয়াকিংওয়ে ও বসার জায়গাগুলো উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বসে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউ হাঁটাচলা করছে। এসবের মাঝে বিভিন্ন বয়সী কিছু নারী এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করছে। বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে ইশারা দিয়ে নিজের দিকে আকর্ষন করছে। খদ্দেরের সাথে দেনদরবার হলেই রিকশা বা সিএনজিতে করে কিছুক্ষণের জন্য স্থান ত্যাগ করছে। আবার ফিরে এসে একই কর্মকাণ্ড করছে। এটাই বিপ্লব উদ্যানের রোজকার বাস্তব চিত্র।

​একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী রবিউল জানান, প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার পথে গাড়ি থেকে নেমে উদ্যান এলাকায় কিছুক্ষণ বসি। এখানে বসলেই এই চিহ্নিত নারীরা এসে পাশে বসে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে। আবার কখনো খদ্দেরদের সাথে অপ্রীতিকরভাবে হাতাহাতি করে, যা দেখে নিজেকেও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।

​নাম প্রকাশ না করার শর্তে উদ্যানের দোকানদারদের অভিযোগ, উদ্যানের উন্নয়নকাজের জন্য বসার জায়গার সংকটের কারণে এমনিতেই ব্যবসা মন্দা চলছে। কাস্টমার আসা-যাওয়ার জন্য ছোট দুটি পথ রয়েছে। তার মধ্যে উত্তর পাশের পথে বিকেল থেকে এসব নারীর বিচরণ শুরু হয়। ফলে কেউ পরিবার নিয়ে আসতে চাইলে পরিস্থিতি দেখে ফিরে যায়।

​তারা আরও বলেন, পুলিশ চাইলে এসব বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু পুলিশের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়ে না।

​উদ্যানের আশপাশের লোকজনের অভিযোগ, শহীদ জিয়ার দল রাষ্ট্র ক্ষমতায়, অতচ ঐতিহাসিক এই স্থানটির ভাবগাম্ভীর্য বিপন্ন। এই নারী চক্রটি কৌশলে উদ্যান এলাকা থেকে খদ্দেরদের সুবিধাজনক বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে চক্রের অন্যান্য ছিনতাইকারী সদস্যদের হাতে তুলে দেয় এবং মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয়।

​এ বিষয়ে পাঁচলাইশ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। ঐতিহাসিক এই স্থানটি অসামাজিক কর্মকাণ্ডমুক্ত করতে পুলিশ খুব শিগগিরই অভিযান শুরু করবে।”

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন