অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে অ্যামচেম আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। নতুন কোনো ব্যবস্থা কার্যকর করতে গেলে এই ভোগান্তি কাটাতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এই সংকট নিরসনে কোনো সময় নষ্ট করছে না এবং নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সমস্যাগুলো অতীত থেকে তৈরি হয়েছে দাবি করে তিনি জানান, সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের সমন্বয়ে একটি কার্যকর ‘এনার্জি মিক্স’ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে কর ব্যবস্থায় লাল ফিতার দৌরাত্ম্য, দুর্নীতি ও হয়রানি কমানোর ওপরও বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস ছাড়া অর্থনীতি আসলেই সামনে এগিয়ে যেতে পারে না উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, ‘তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবকিছু করার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করছি না। গ্যাসের ক্ষেত্রে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল, অনশোর (স্থলভাগ) স্টোরেজ সুবিধা- সব বিষয় চূড়ান্ত করা হচ্ছে। যা আপনারা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই জানতে পারবেন।’
সত্যি বলতে, আমাদের কাছে যে পরিসংখ্যান আসছে, বাস্তবে তা তার চেয়েও অনেক কম। তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পাওয়ার মিক্স বা এনার্জি মিক্স এমন একটি বিষয়, যা নীতির জায়গা থেকে আমরা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছি-উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি থাকবে, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ থাকবে। কয়লা এমন একটি সম্পদ, যা আমাদের রয়েছে। আমরা কয়লাভিত্তিক বিষয়টিও খতিয়ে দেখছি। তাই জ্বালানির একটি সমন্বিত মিশ্রণ নিয়ে আমরা এগোচ্ছি এবং এই সংমিশ্রণটি মোটামুটিভাবে নির্ধারণ করে ফেলেছি। আশা করি, যথাসময়ে আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে একটি বড় পরিবর্তন দেখতে পাবো।’
বার্তা বাজার/এআর






