ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধের মধ্যে বেইজিং সফরে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধের মধ্যে বেইজিং সফরে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মধ্যে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। এই প্রণালি দিয়েই চীন তার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তেল আমদানি করে থাকে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ল্যাভরভকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে।

আল জাজিরা বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়েছে বেইজিং ও মস্কো। এই যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটে অর্থনৈতিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে চীন।

ইরানের তেলের অন্যতম প্রধান আমদানিকারক দেশ চীন। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরসহ ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজ অবরোধ করার জন্য সম্প্রতি আরোপিত মার্কিন পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটি।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও​জিয়াকুন সোমবার বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি পণ্য ও জ্বালানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ। এর নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অবাধ চলাচল বজায় রাখা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থ।’

আরাগচির সঙ্গে ল্যাভরভের আলোচনা
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক অ্যালান ফিশার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য হলো- ইরানের বন্দরগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেশটিকে চাপে ফেলা। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, চীনের মতো ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারদের মাধ্যমে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা যাবে এবং এর ফলে ইরান আবার আলোচনার টেবিলে আসতে বাধ্য হবে।’

এদিকে সোমবার ল্যাভরভ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ সময় ল্যাভরভ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরুর ঝুঁকি এড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংকট সমাধানে রাশিয়ার সহায়তার কথা জানান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ল্যাভরভ সশস্ত্র সংঘাত পুনরাবৃত্তি রোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন যে, এই সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই, আর এ জন্য রাশিয়া শান্তিপূর্ণ সমাধানে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

বেইজিংয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে বেইজিং ও মস্কোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। সর্বশেষ গত ৫ এপ্রিল চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভের সঙ্গে ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত হন।

এদিকে, যুদ্ধ ও এর অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন দেশের নেতাদের স্বাগত জানিয়েছে চীন। এর মধ্যে রয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। মঙ্গলবার সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লামেরও চীনে আসার কথা রয়েছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!