যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছে। তবে এই সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা প্রতিনিধিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে পাকিস্তান বা হোয়াইট হাউস থেকেও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। খবর দ্য ডনের।
এই সংক্ষিপ্ত ঘোষণার পরই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে-বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাত ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত সংঘাতে রূপ নেয়। টানা সংঘর্ষের পর একটি ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা।
এই সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে সরাসরি ও পরোক্ষ আলোচনা চালানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান এই আলোচনায় একটি সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী বা ‘নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম’ হিসেবে উঠে এসেছে।
এর আগে ইসলামাবাদেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের সরাসরি সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল, যা আঞ্চলিক কূটনীতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা নতুনভাবে সামনে নিয়ে আসে।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গেও তাদের সীমান্ত ও কৌশলগত যোগাযোগ রয়েছে। ফলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একটি যোগাযোগের সেতু হিসেবে কাজ করতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র কেবল সামরিক নয়-কূটনৈতিক পথেও সমাধান খুঁজছে। বিশেষ করে যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে আলোচনা এগিয়ে নেয়ার একটি চাপ তৈরি হয়েছে।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






