যুক্তরাষ্ট্র যদি আবার ইরানে হামলা চালায়, তবে তার পরিণাম কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন অবকাঠামো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে। ইরানের কট্টরপন্থী সংসদ সদস্য মাহমুদ নবাবিয়ান আঞ্চলিক দেশগুলোকে উদ্দেশ্য করে শনিবার এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সামাজিকমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে মাহমুদ নবাবিয়ান লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর গতিবিধি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বোকামি বা হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এসব দেশের নেতাদের জেনে রাখা উচিত, এবার ইরানের জবাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইরানের পাল্টা হামলায় ওইসব দেশের অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হবে এবং তাদের জনগণ উদ্বাস্তু ও শরণার্থীতে পরিণত হবে।’
মাহমুদ নবাবিয়ান ইরানের একজন প্রভাবশালী সংসদ সদস্য এবং ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার শান্তি আলোচনায় ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন। তার এই কঠোর মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ালেও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ শুক্রবার রাতে জানান, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতিকে লক্ষ্যবস্তু করে আসছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি একে ‘যুক্তরাষ্ট্রের অনধিকার উপস্থিতি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইরান মনে করে, এ অঞ্চলের যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের মাটি ব্যবহার করে হামলা চালানোর সুযোগ দেয়, তারা ইরানের শত্রু।
সূত্র: বিবিসি
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






