ঢাকা   শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ভারতকে সেই অভিযানের স্মৃতি মনে করিয়ে দিল পাকিস্তান

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম

ভারতকে সেই অভিযানের স্মৃতি মনে করিয়ে দিল পাকিস্তান

গত বছরের মে মাসে ভারতের সঙ্গে আকাশপথের লড়াইয়ে বড় সাফল্যের দাবি করেছে পাকিস্তান। দেশটির বিমানবাহিনীর (পিএএফ) ডেপুটি চিফ অব এয়ার স্টাফ এয়ার ভাইস মার্শাল তারিক গাজী বুধবার বলেছেন, ‘মারকা-ই-হক’ অভিযানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) বিরুদ্ধে ‘৮-০’ ব্যবধানে ফলাফল অর্জন করেছে পাকিস্তান। অর্থাৎ, ওই লড়াইয়ে অন্তত ৮টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছেন তিনি।

‘মারকা-ই-হক’ অভিযানের প্রথম বার্ষিকীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন গাজী। ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্সের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল শিফাত আলী খানের সঙ্গে তিনি উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছর মে মাসের ৬ ও ৭ তারিখে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাম শহরে পর্যটকদের ওপর হামলার জেরে পাকিস্তান সীমান্তে হামলা চালায় ভারত। ৮৭ ঘণ্টা স্থায়ী সেই সংঘাতে পাকিস্তানের দাবি, তারা ফরাসি প্রযুক্তির রাফালসহ ভারতের আটটি যুদ্ধবিমান এবং কয়েক ডজন ড্রোন ভূপাতিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ মে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এয়ার ভাইস মার্শাল গাজী বলেন, আজকের ব্রিফিংয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল সেই অভিযানের স্মৃতি মনে করিয়ে দেওয়া। এ সময় ভারতের নাম উল্লেখ না করে তিনি ‘প্রতিপক্ষ’কে কটাক্ষ করে বলেন, তারা বারবার তাদের বয়ান পরিবর্তন করছে, কারণ তারা নিজেরাই বুঝতে চেষ্টা করছে আসলে সেদিন কী ঘটেছিল।

গাজী আরও জানান, বিমানবাহিনী প্রধান জহির আহমেদ সিধু এ অভিযানের রণকৌশল প্রণয়ন করেন এবং ব্যক্তিগতভাবে অভিযানের নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই পাকিস্তান বিমানবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে নজরদারি শুরু করে। শত্রুপক্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও নজর রাখা হচ্ছিল। যেকোনো ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমব্যাট এয়ার পেট্রোল ও সার্বক্ষণিক আকাশপথে নজরদারি জারি রাখা হয়েছিল।

অভিযানের ফলাফল হিসেবে ‘৮-০’ স্কোরের ব্যাখ্যা দিয়ে গাজী বলেন, পাকিস্তান মোট আটটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪টি রাফাল, ১টি সুখোই-৩০ (Su-30), ১টি মিগ-২৯ (MiG-29), ১টি মিরাজ-২০০০ এবং ১টি অত্যন্ত ‘ব্যয়বহুল’ মাল্টি-রোল ড্রোন।

তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের আরও বেশ কিছু যুদ্ধবিমান লড়াইয়ের সময় এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো আর মেরামতের যোগ্য নেই। বিমানবাহিনীর ইতিহাসে এটিই প্রথম এমন অভিযান যেখানে বহুমুখী সম্পদের (multi-domain assets) সমন্বিত ও সফল প্রয়োগ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

 

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!