যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর সমন্বিত হামলা চালাতে অন্যান্য আরব দেশগুলোকে উদ্বুদ্ধ করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে অন্য দেশগুলো এতে রাজি হয়নি। আজ শুক্রবার (১৫ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম বু্লমুবার্গ।
এরজন্য আরব দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন অমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ। যারমধ্যে আছেন সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
এ প্রস্তাবে অন্য দেশগুলো রাজি না হওয়ায় আমিরাত তাদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে আমিরাতের বের হয়ে যাওয়া।
সংশ্লিষ্টদের বরাতে ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, গত মার্চে ইরানে সরাসরি হামলা চালায় সৌদি আরব। কিন্তু যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তান মধ্যস্থতা শুরু করলে হামলা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয় দেশটি। তারা যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের চেষ্টাকেই প্রাধান্য দেয়।
তবে যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে না রাখায় আমিরাত হতাশ হয় বলেও সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, ইরান কাতারের রাস লাফফান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস প্ল্যান্টে হামলার পর কাতারও ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তারা তাদের সিদ্ধান্ত আবার পরিবর্তন করে। এই গ্যাস প্ল্যান্টটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্ল্যান্ট।
আমিরাত ইরানে সমন্বিত আরব হামলার যে উদ্যোগ নিয়েছিল এ ব্যাপারে জানত যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন এবং তারা চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার যেন এতে যুক্ত হয়।
সূত্র: ব্লুমবার্গ
বার্তা বাজার/এস এইচ






