রাতভর রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনে পাঁচজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছে। দনিপ্রোতে চারজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে রাশিয়ার হামলায় কিয়েভেও একজন নিহত হয়েছে এবং আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। খবর বিবিসির।
শহরের কেন্দ্র থেকে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। কিয়েভের হাজার হাজার মানুষ নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে। ইউক্রেনের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে বিমান হামলার সতর্কতা জারি ছিল।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। কিয়েভের নগর সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো বলেছেন, শত্রুরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালাচ্ছে।
ক্লিচকো বলেন, দুটি বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভোরবেলা থেকে কিয়েভে রাশিয়ার হামলা চলার সময় এক ডজনেরও বেশি বিকট বিস্ফোরণের মাঝে ড্রোনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল।
শহরজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অগ্নিকাণ্ডের খবরও পাওয়া গেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়। জাপোরিঝিয়ায় একটি শিল্প স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে।
এই হামলাগুলো এমন এক সময়ে ঘটলো যখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সোমবার রাশিয়ার সম্ভাব্য ব্যাপক হামলার বিষয়ে সতর্কবার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বাসিন্দাদের বিমান হামলার সতর্কবার্তার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
জেলেনস্কি এক ভিডিও ভাষণে বলেন, রাশিয়ার হামলা সংক্রান্ত গোয়েন্দা সতর্কতা এখনো কার্যকর রয়েছে। একটি ব্যাপক হামলা সম্ভব, তারা এর প্রস্তুতি নিয়েছে।
গত সপ্তাহে রাশিয়া বলেছিল যে, তারা কিয়েভের সামরিক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে এবং বিদেশিদের শহর ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






