গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ অক্টোবর মাসজুড়েজুড়ে রাজধানীসহ সারা দেশে নাশকতার পরিকল্পনা করছে বলে তথ্য পেয়েছে দেশের একাধিক গোয়েন্দা সং স্থা । তাদের মূলমূ লক্ষ্য যেকোনো মূল্যে অন্তর্বর্বর্তী সরকারকে হটানো ।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, প্রতিবিপ্লব ঘটিয়ে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পণ্ড করে আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠে ফিরিয়ে আনাই এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। অপরাধ বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য না হলে এই ষড়যন্ত্র আরও ঘনীভূত হবে। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হতে থাকে, যার তেমন উন্নতি এখনো হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে প্রায়শই ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হয়।
এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে থেকে নাশকতার ছক অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই ঝটিকা মিছিল বের করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সাইবারে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অক্টোবরজুড়ে দলটির মাস্টারপ্ল্যান সম্পর্কেবেশ কিছুগুরুত্বপূর্ণতথ্য তাদের হাতে এসেছে। রাজধানীতে ঝটিকা মিছিল, নাশকতার পরিকল্পনা ও অর্থায়নের অভিযোগে গত সেপ্টেম্বরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ৩৬০ জনকে গ্রেপ্তার করে। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত এই সংখ্যা প্রায় ৮ শতাধিক।
ডিএমপি’র ডিসি মিডিয়া তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম জানান, ১৫ই আগস্ট, বিজয় দিবস বা দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীসহ বিভিন্ন সময়ে নাশকতার চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, রাজনীতির মাঠে ঐক্য না থাকলেপরাজিত শক্তি সুবিধা নেবে এবং ভোটের মাঠে টানাপোড়েনের কারণে পরিস্থিতি দিন দিন ঘোলাটে হচ্ছে। যেকোনো অরাজক পরিস্থিতি সামাল দিতে এরই মধ্যে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বের নির্দেশনা দিয়ে রেখেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বার্তা বাজার/এস এইচ





