ঢাকা   বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

অভিনব কৌশলে আব্দুল্লাহপুর-আজমপুরে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ১২:২৫ এএম

অভিনব কৌশলে আব্দুল্লাহপুর-আজমপুরে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া

ঈদুল আযহার কে কেন্দ্র করে অভিনব কৌশলে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর-আজমপুরের বাস কাউন্টারগুলো।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, টিকিটের গায়ে সঠিক মূল্য রেখে বেইনিভাবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে প্রতিটি কাউন্টারেই। উত্তরা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাড়া ৮৫০ টাকা টিকিটের গায়ে লেখা থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত। কেউ বাড়তি টাকার বিষয়ে প্রশ্ন তুললে বলা হচ্ছে সিট নেই বা আসন খালি নেই। ফলে প্রয়োজনের তাগিদে মুখ খুলছেন না কেউই।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর, আজমপুর, এয়ারপোর্ট বাস টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঈদ যাত্রা তৃতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষের ভিড় চোখে পড়ার মতো। অনেকেই কাউন্টারের ভিতরে জায়গা না পেয়ে বাইরে রাস্তায় অপেক্ষা করছেন কাঙ্ক্ষিত বাসের জন্য। ঘন্টার পর ঘন্টা এভাবে বসে থেকে অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। গাড়িগুলো কাউন্টারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রীরা তাড়াহুড়ো করে উঠে পড়ছেন।

রাজধানীতে রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করেন ওবায়দুল মিঞাঁ। তিনি গ্রামীন পরিবহনে করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন রাজধানীর আজমপুর বাস কাউন্টারে।

জানতে চাইলে তিনি ঢাকাপোস্টকে বলেন, এবার ঈদযাত্রায় অভিনব কায়দায় বাস কাউন্টারের মালিকরা বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন।

তিনি বলেন, আমি দুইটা টিকিট নিয়েছি দুই হাজার টাকা দিয়ে। কিন্তু টিকিটের গায়ে লেখা ১ হাজার ৭০০ টাকা । জোর করেই ৩০০ টাকা বেশি নিয়েছে। এভাবে একতা, চাঁপাই এক্সপ্রেস, ন্যাশনাল ট্রাভেলসহ প্রায় প্রতিটি কাউন্টারে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ন্যাশনাল ট্রাভেলসের এক যাত্রী ঢাকাপোস্টকে বলেন, “আপনি জিজ্ঞাস করলে কেউ স্বীকার করবে না। তবে প্রতিটি বাস কাউন্টারেই বেশি টাকা আদায় করছেন। তবে ন্যাশনাল ট্রাভেলসের সিডিউল মোটামুটি ঠিক আছে।”

তিনি বলেন, “আমি একটু আগেই এসেছি কাউন্টারে। তবে আমার আগের গাড়িটি সঠিক সময়েই কাউন্টার ছেড়ে চলে গেছে। এবং আমার টিকিট ছিল রাত সাড়ে ১০টায়। ইতিমধ্যে আমাদের গাড়িটিও চলে এসেছে।”

বাড়তি ভাড়া ও গাড়ির সিডিউল এর বিষয়ে জানতে চাইলে ন্যাশনাল ট্রাভেলসের ম্যানেজার মুমিন হোসেন বলেন, “বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আপনি গাড়িতে অপেক্ষমান প্রতিটি যাত্রীকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন আমরা যদি বাড়তি ভাড়া নিয়ে থাকি তাহলে তাদের টাকা ফেরত দেব।”

তিনি বলেন, “আমাদের একই রুটে অন্যান্য গাড়ির সিডিউল ঠিক নেই না থাকলেও ন্যাশনাল ট্রাভেলসের বাসের সিডিউল ঠিক আছে।”

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!