ঢাকা   সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

আলোচিত ছাগলকাণ্ডে জড়িত সাবেক এনবিআর সদস্য মতিউরের বিচার শুরু

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

আলোচিত ছাগলকাণ্ডে জড়িত সাবেক এনবিআর সদস্য মতিউরের বিচার শুরু

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ বি এম তারিকুল কবীর এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মীর আহমেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ মতিউর রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর উপস্থিতিতে আদালত অভিযোগ পড়ে শোনান। এরপর মতিউর রহমান নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

গত ৫ জুলাই মতিউর রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। ওইদিন অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মো. বোরহান উদ্দিন অব্যাহতির আবেদনের ওপর শুনানি করেন। পরে আদালত আদেশের জন্য তারিখ ধার্য করেন। আজ আসামি পক্ষের আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২ জুলাই মতিউর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বিবরণী চেয়ে পৃথক নোটিশ পাঠায় দুদক। এসব নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৯ আগস্ট মতিউর, তাঁর দুই স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েসহ পাঁচজনের সম্পদ বিবরণী দুদকে জমা দেন।

সম্পদ বিবরণী যাচাই-বাছাই শেষে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়ায় গত বছর ৬ জানুয়ারি মামলা করে দুদক। আর ১৪ জানুয়ারি মতিউরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তাঁর সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এ ছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কেনার ঘটনায় মুশফিকুর রহমান ইফাত নামে এক যুবক ব্যাপক আলোচনায় আসেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে দাবি ওঠে, তিনি এনবিআরের সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের ছেলে। এরপর মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সম্পদ নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। সে সময় ধারাবাহিকভাবে তাদের বিপুল সম্পদ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সামনে আসে।

২০২৪ সালের ৪ জুন তাঁদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে কার্যক্রম শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানে মতিউর আর তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে মতিউর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবার হিসাব ও শেয়ারবাজারের বিও হিসাব ক্রোক করা হয়। ‎মতিউর ও তাঁর প্রথম স্ত্রী এবং সন্তানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

বার্তা বাজার/আইকে

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন