ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ফেনীতে পরীক্ষা হলেও এমপির পাঠানো তালিকা থেকেই ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম

ফেনীতে পরীক্ষা হলেও এমপির পাঠানো তালিকা থেকেই ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ

ফেনী সদরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও স্থানীয় সংসদ সদস্যের (ফেনী-২) পাঠানো বিশেষ তালিকা থেকে বেশিরভাগ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচিতে ফেনী সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে নিয়োগের তালিকা বাতিল ও প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার দাবিতে ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে উপজেলা পরিষদের সামনে সমাবেশ করেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শুমারির সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ন্যূনতম স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়নি। যোগ্য ও বেকার প্রার্থীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়, পারিবারিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এমনকি একই পরিবারের একাধিক সদস্যকেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

বিক্ষোভকারীদের আরও অভিযোগ, কার্যক্রমে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের এসব পদে বসানো হয়েছে। বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যেই একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাসরিন সুলতানা কান্তা বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের একটি প্রাথমিক তালিকা তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকেই বেশিরভাগ নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা মেধার ভিত্তিতেই যোগ্য বলে দাবি করেন তিনি।

ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল আলম দিদার বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পকে বিতর্কিত করার জন্য বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তার দাবি, তার নিজ ওয়ার্ডে একটি আওয়ামী পরিবারের দুই বোনের একজনকে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অন্যজনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে।

বালিগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব কাজী কামরুল আহসান বলেন, ‘তার ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া ১৩ জনের মধ্যে মাত্র তিনজনকে আমি চিনি। বাকিদের অনেকেই আওয়ামী লীগের দোসর ও অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত।’

তার অভিযোগ, যোগ্য অনেক প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও তাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি।

ধলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফোরকান মাস্টার জানান, তার ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া ১৯ জনের মধ্যে চারজনকে তিনি চেনেন। বাকিদের অনেকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অবিলম্বে তালিকা বাতিল করে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের দাবি জানান তিনি।

বিক্ষোভে বালিগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আইয়ুব আলী, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর নবী মেম্বার, লেমুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রিপন মেম্বার, মোটবী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, ছনুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর আলম এবং ফাজিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একরামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বার্তা বাজার/ আইকে

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন