ঢাকা   মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই নবজাতকের বাবা, অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৩ এএম

সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই নবজাতকের বাবা, অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত

সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই নবজাতকের বাবা, অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের ডিএনএর সঙ্গে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে। এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে, আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরই নবজাতকের জৈবিক পিতা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল।

অ্যাডভোকেট নুরুল কবির বলেন, আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের আগে মতামতের জন্য পাঠানো ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নবজাতকের সঙ্গে আসামির ডিএনএর ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনের সঙ্গে তিনি একমত পোষণ করেছেন। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হতে পারে।

পাবলিক প্রসিকিউটর আরও বলেন, সোমবারই বিষয়টি আদালতে উপস্থাপনের কথা ছিল। তবে কিছু দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় অভিযোগপত্রের সঙ্গে ডিএনএ প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

তিনি জানান, সোমবার মামলার শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন আসামি জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন।

আদালতের নির্দেশে গত ২৮ জুলাই সিলেটের একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে (সেফহোম) থাকা নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ২ জুলাই ভুক্তভোগী শিশুটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়।

এর আগে গত ১৭ মে মামলার আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুটির মা মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মাদ্রাসাশিক্ষক সাগর ওই শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এতে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

গত ৭ মে আদালত আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে ১০ মে তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের স্বার্থে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করেন। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।

এদিকে শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তার মা আদালতে সুরক্ষার আবেদন করেন। পরে গত ১২ মে আদালতের নির্দেশে শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে সিলেটের একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন