তথ্যমন্ত্রী ও বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, আপনারা জানেন সরকারে এখন গ্যাস ও বিদ্যুতের অসুবিধা। আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে দেশকে এমনভাবে করে গিয়েছে যে, দেশের অর্থনীতির কোমড় ভেঙে দিয়ে গিয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন সময়ে বাংলাদেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। সেখান থেকে আমাদেরকে ওঠে আসতে হচ্ছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে তিন দিনের সরকারি সফরে ভোলায় নিজ সংসদীয় আসনের নতুনবাজারে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেকটা মানুষই চায়। প্রত্যেকটি মানুষ আন্দোলন করছে এবং সেতুর জন্য আমরা সবাই কাজ করছি। সেতুর বিষয়টি সরকার তার নিজস্ব অবস্থান থেকে দেখছে এবং মহাসড়কের বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে। এছাড়া এসব বিষয়ে তিনি ভোলাবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আমরা সবাই ভোলার উন্নয়ন চাই এবং ভালোটা চাই। ভোলা-বরিশাল সেতু নিয়ে সংসদে বক্তব্য দিয়েছি, ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায়। ভোলায় ১২শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে মেডিকেল কলেজ হবে এবং নদী ভাঙনরোধে ৭শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং রাস্তা সংস্কারের জন্য ৫শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৬ মাসে আপনারা আমাকে দেখেছেন আমি এমপি হিসেবে ছিলাম, এক টাকা দুর্নীতির নামও আপনারা শোনেননি। কোনো মিথ্যা মামলা, হয়রানি, চাঁদাবাজি হয়নি। ইনশাআল্লাহ আমি এতটুকু কথা দেই- কোনো চোর-সন্ত্রাসী আমার দলের না। আমার দল ব্যবহার করে কেউ যদি ডাকাতি করে, সন্ত্রাসী করে, চুরি করে তাহলে আমার একটাই কথা- কোনো সন্ত্রাসী, কমিশন, জিআর, টিআর, ঠিকাদারি- এগুলি আমার রক্তে নাই, আমার বংশে নাই, আমাদের মধ্যেও নাই। আমি জানি, ভোলার মানুষ পাশে ছিল এবং আল্লাহ তাআলা চেয়েছে তাই আমি এমপি হয়েছি।
এর আগে, এদিন সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশাল নদী বন্দরে আসেন তথ্যমন্ত্রী। এরপর সেখান থেকে স্পিডবোট যোগে দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার খেয়াঘাট লঞ্চঘাটে আসেন তিনি। এ সময় সেখানে তথ্যমন্ত্রীকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার।
ভোলা জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলম, ভোলা জেলা বিজেপি সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মোতাছিন বিল্লাহ, উপজেলা বিজেপির সভাপতি আব্দুল জলিল, সম্পাদক বুলবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিএনপি ও বিজেপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।






