অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিএমপি কমিশনার। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধের কারণ চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় প্রতিটি থানা এলাকায় বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। স্থানীয় নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক অপরাধ কমিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন কমিশনার।
সভায় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম), অতিরিক্ত দায়িত্বে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (হেডকোয়ার্টার্স) মো. ফারুক হোসেন পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সব থানার অফিসার ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





