রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরের শহর রাজশাহীর একটি গ্রাম বিদ্যাধরপুর। সেখানকার স্কুলশিক্ষক সুকুমার প্রামাণিক আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে দেখছেন এক ভিন্ন দৃষ্টিতে। তাঁর মতে, এই নির্বাচন হতে পারে রাজনীতির ওপর তাঁর আস্থা রাখার ‘শেষ পরীক্ষা’।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নির্বাচনের সময়গুলোতে দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার নজির নতুন কিছু নয়। প্রায়ই তীব্র রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সামাজিক উত্তেজনার এই সময়টিতে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হন ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা। কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনের অবসানের পর থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা নিজেদের অনেকটা অবরুদ্ধ মনে করছেন। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, এসব ঘটনার বেশির ভাগই ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত নয়, তবুও হামলার খবর, হত্যাকাণ্ড এবং বাড়িঘর ও দোকানপাটে অগ্নিসংযোগের ঘটনা তাদের আতঙ্কিত করে রেখেছে।
এমন এক জটিল পরিস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে উদ্বেগ আরও ঘনীভূত হয়েছে। যদিও বড় রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জনের আপ্রাণ চেষ্টা করছে, তবুও মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। সুকুমার প্রামাণিক বলেন, ‘বড় দলগুলোর নেতারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে ভোটের আগে ও পরে আমরা নিরাপদ থাকব।’ তবে তিনি এও জানান, এই মুহূর্তে তাঁর সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে রাজনীতিবিদদের প্রতি আস্থা তলানিতে।
রক্তাক্ত অতীত ও সুকুমারের ‘ভগ্ন বিশ্বাস’
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের বেশ কিছু স্থানে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। সে সময় সংঘবদ্ধ উচ্ছৃঙ্খল জনতা (মব) হিন্দু সম্প্রদায়কে বিশেষভাবে নিশানা করে। ঐতিহাসিকভাবেই এ সম্প্রদায়ের অনেকে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে আসছেন। দলটি দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের ‘অসাম্প্রদায়িক’ দাবি করলেও সমালোচকদের মতে, ক্ষমতায় থাকাকালে দলটি সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং উল্টো তাদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটেছে।
নিজের ভয়াল অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে সুকুমার প্রামাণিক বলেন, আগস্টের সেই উত্তাল সময়ে তাঁর গ্রামেরই একদল উচ্ছৃঙ্খল লোক রাজশাহীর বিদ্যাধরপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁর অপরিচিত ছিল না।
সুকুমার বলেন, “তারা আমাকে চেনে এবং আমার ওপর হামলা করবে না—এই সরল বিশ্বাস থেকে আমি মবের (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমার সেই বিশ্বাস রাখেনি। তারা শুধু আমার হাতই ভাঙেনি, তার চেয়ে বড় বিষয় হলো—তারা আমার হৃদয় ও বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছে। আমার হাত ভেঙে যাওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে, হাসপাতালে কাটাতে হয়েছে কয়েক দিন। কিন্তু আমি আগে কখনো এমন মানসিক আঘাতের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হইনি।”
পরিসংখ্যানের লড়াই: সরকার বনাম মানবাধিকার সংস্থা
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ। এ ছাড়া খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংখ্যা আরও কম। বিশেষজ্ঞ ও সংখ্যালঘু নেতাদের মতে, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক পক্ষগুলো ভোটারদের ভয় দেখাতে বা স্থানীয় বিরোধ মীমাংসায় ধর্মীয় পরিচয়কে হাতিয়ার করেছে।
বিভিন্ন সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ’-এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আপনি যদি অতীতের নির্বাচনগুলোর দিকে তাকান তাহলে দেখবেন—এমনকি আওয়ামী লীগের আমলেও কখনোই সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও নিপীড়ন আসলে বন্ধ হয়নি। এটি নির্বাচনের আগে ও পরে সব সময়ই ঘটেছে।” তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সঠিক বিচার না থাকার’ কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ২০০১ সালের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করেন, যখন বিএনপি-জামায়াত জোট জয়ের পর হিন্দুদের ওপর ভয়াবহ হামলা হয়েছিল, যার বিচার আজও হয়নি।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান আতঙ্ক আরও বাড়াচ্ছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের তথ্য অনুযায়ী:
- ২০২৫ সালে অন্তত ৫২২টি সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬১টি হত্যার ঘটনা রয়েছে।
- ২০২৪ সালের আগস্টে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ওই বছর মোট ২ হাজার ১৮৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
মনীন্দ্র কুমার নাথ বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা এখন ‘গভীর নিরাপত্তাহীনতায়’ ভুগছেন। তাঁর ভাষায়, “সবার মধ্যেই আতঙ্ক বিরাজ করছে।”
তবে বাংলাদেশ সরকার ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী:
- ২০২৫ সালে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৬৪৫টি ঘটনার তথ্য রেকর্ড করেছে কর্তৃপক্ষ।
- সরকারের দাবি, এসব ঘটনার মধ্যে মাত্র ৭১টি ঘটনার পেছনে ‘সাম্প্রদায়িক যোগসূত্র’ পাওয়া গেছে। বাকি ঘটনাগুলোকে সাধারণ অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
কর্মকর্তাদের দাবি, এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ঘটনার পেছনে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছিল না। তাঁরা সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে সাধারণ আইনশৃঙ্খলাজনিত অপরাধ থেকে আলাদা করে দেখার ওপর জোর দেন। সরকার আরও বলছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে এ বিষয়টিকে আন্তর্জাতিকভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে, বিশেষ করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও কর্মকর্তারা তা করছেন।
অন্যদিকে, মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। তাদের মতে, ২০২৫ সালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ২২১টি ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে একজনের মৃত্যু ও ১৭ জন আহত হয়েছেন। আসকের এই পরিসংখ্যান ঐক্য পরিষদের চেয়ে কম হলেও সরকারের দেওয়া তথ্যের চেয়ে বেশি।
নারীদের ট্রমা: ‘আর কোনো আঘাত নিতে পারব না’
পরিসংখ্যানের এই ভিন্নতা থাকলেও ভুক্তভোগীদের মানসিক অবস্থা একই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেলে রাজশাহীর বিদ্যাধরপুর গ্রামের গৃহবধূ শেফালি সরকারের জীবন ওলট–পালট হয়ে যায়। ওই দিন শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
হামলার ভয়ে এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ পুরুষ পালিয়ে যান। বাড়িতে থেকে যান কেবল নারীরা। কারণ, শেখ হাসিনার পতনের পরে সংঘবদ্ধ আক্রমণে মূলত পুরুষদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। সেদিনের কথা মনে করে এখনো শিউরে ওঠেন শেফালি।
তিনি বলেন, “তারা আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর শুরু করল। আমি ভেবেছিলাম এটাই শেষ—আমরা বুঝি মারা যাব। এই ঘটনা আমার মনে গভীর ক্ষত রেখে গেছে। এর পর থেকে আমাকে মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।”
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে শেফালির সেই উদ্বেগ আবার ফিরে এসেছে। তাঁর ভয়, নতুন কোনো অস্থিরতা তৈরি হলে আবারও তাঁর সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমি আর কোনো মানসিক আঘাতের মধ্য দিয়ে যেতে পারব না।”
শেফালির স্বামী নারায়ণ সরকার জানান, হামলার ঘটনার পর বর্তমানে এলাকাটি শান্ত রয়েছে। স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতারা তাঁদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু তিনি বলেন, “ভয় সব সময় থেকেই যায়—যেকোনো সময় শান্তি কেড়ে নিতে পারে।”
ভয়ের মাঝেও আশার আলো এবং রাজনীতির নতুন সমীকরণ
তবে সবাই যে সমানভাবে উদ্বিগ্ন, তেমনটা নয়। ফরিদপুর জেলার স্থানীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কর্মকার কিছুটা আশাবাদী। তিনি বলেন, “ঐতিহ্যগতভাবেই আমরা এখানে বছরের পর বছর জোরালো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখেছি। অভ্যুত্থানের সময় দেশের অনেক এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেলেও আমাদের এলাকায় তেমন কিছু ঘটেনি।”
শ্যামল কর্মকার জানান, রাজনৈতিক নেতারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট পাওয়ার জন্য তৎপর রয়েছেন এবং তাঁদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা ভোট দেব এবং আশা করছি, একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে।”
রাজনীতির মাঠেও দেখা যাচ্ছে পরিবর্তন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, যেখানে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদ বোধ করবেন। অন্যদিকে নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টার অংশ হিসেবে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো খুলনায় একজন হিন্দু প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে।
গোপালগঞ্জ ও নির্বাচনের ‘হটস্পট’
তবে সব জায়গায় চিত্র এক নয়। গোপালগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ এখনো প্রবল। এই জেলায় মোট ভোটারের প্রায় এক-চতুর্থাংশই হিন্দুধর্মাবলম্বী এবং এটি শেখ হাসিনার জন্মস্থান।
গোপালগঞ্জ জেলার একটি হিন্দু অধ্যুষিত আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “আমি আশঙ্কা করছি, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।”
অন্যদিকে, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা মনীন্দ্র কুমার নাথ অভিযোগ করেন, সংখ্যালঘুদের উদ্বেগ নিরসনে সরকার ও নির্বাচন কমিশন আরও বেশি কিছু করতে পারত। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন তাদের কাজ চালিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত একবারের জন্যও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছে জানতে চায়নি যে তারা কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বা তাদের কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন।”
সরকারের কঠোর বার্তা ও প্রতিশ্রুতি
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম আল–জাজিরাকে বলেন, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, “সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগরিষ্ঠ—সব সম্প্রদায়ের মানুষ এবং সব ধর্ম ও পরিচয়ের অনুসারীরা যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য আমরা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি।”
শফিকুল আলম বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “গত ১৫ বছর শেখ হাসিনার শাসনামলে মানুষ অবাধে ভোট দিতে পারেনি, কারণ তখন নির্বাচনগুলোতে কারচুপি হয়েছিল। এবার সবাই যেন ভোট দিতে পারেন সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে পরামর্শ করে তাদের উদ্বেগ নিরসনে পদক্ষেপ নিয়েছে।
আস্থার শেষ পরীক্ষা
রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত, চলছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। কিন্তু দিনশেষে রাজশাহীর বিদ্যাধরপুর গ্রামের শিক্ষক সুকুমার প্রামাণিকের মতো সাধারণ মানুষেরা কেবল নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান। সরকারের আশ্বাসগুলোকে তিনি সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করছেন।
সুকুমার বলেন, “যদি আমরা আবারও হামলার শিকার হই, তবে এটাই হবে তাদের (রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্র) ওপর শেষবারের মতো আমার আস্থা রাখা।”






