ঢাকা   সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

বাবার নির্বাচনি এলাকায় ‘অ্যাকশনের’ হুঁশিয়ারি ফখরুল কন্যার

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

বাবার নির্বাচনি এলাকায় ‘অ্যাকশনের’ হুঁশিয়ারি ফখরুল কন্যার

বাবার নির্বাচনি এলাকা ঠাকুরগাঁও থেকে আসা বিভিন্ন অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা।

শনিবার (৭ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই তার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন।

শামারুহ জানান, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই অভিযোগ যাচাইয়ের কাজ শেষ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ফেসবুক পোস্টে ফখরুলকন্যা লিখেছেন, ঠাকুরগাঁওয়ের যত মেসেজ এসেছে সেগুলো এখন ভেরিফাই হচ্ছে। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ হবে। তারপর অ্যাকশনে যাওয়া হবে। ইতোমধ্যে আরও কিছু নতুন ইনফরমেশন পেয়েছি। এসব নিয়ে আশা করছি, ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈদের পরে না, ঈদের আগেই হবে, ইনশাআল্লাহ।

তার এ মন্তব্যের পর দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, অভিযোগগুলো যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলে জেলার রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

পোস্টের নিচে বিভিন্ন মন্তব্যে নেটিজেনরা নানা মতামত তুলে ধরেছেন। একজন লিখেছেন, স্যারের ক্লিন ইমেজ ধরে রাখতে আপনাকে অনলাইনে অবশ্যই সক্রিয় থাকতে হবে। মানুষের অভিযোগগুলো শুনতে হবে। অনেকগুলোর মধ্যে যদি কিছু অভিযোগেরও বাস্তব সমাধান হয়, তাহলে এর প্রভাব গোটা জেলায় পড়বে।

বেলাল নামের আরেকজন মন্তব্য করেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ আপনার নেতৃত্ব চায়। না হলে অচিরেই বিএনপির ত্যাগী কর্মীরা নিরবে ধ্বংস হয়ে যাবে।

নূর আফতাফ রুপন নামের একজন লিখেছেন, ঠাকুরগাঁওয়ে যারা দুর্নীতির নেক্সাস তৈরি করে নানা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভাগ-বাটোয়ারা করে খাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হবে, কারণ তারা অনেকেই আপনাদের ঘনিষ্ঠ।

আকাশ নামে এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, শক্ত হাতে দল ধরতে হবে। যারা চাঁদাবাজি ও অন্যায়ের মাধ্যমে স্যারের সম্মানহানি করেছে, তাদের দল থেকে বাদ দিতে হবে।

এদিকে মিনহাজুল ইসলাম নামে একজন মন্তব্য করেন, দলের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে না আগামী ইউপি বা উপজেলা নির্বাচনে ভালো ফল করা সম্ভব হবে। সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এই পোস্ট ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, অভিযোগ যাচাই শেষে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন