ঢাকা   বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীকে আসিফ মাহমুদের চ্যালেঞ্জ

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ১০:৫৪ এএম

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীকে আসিফ মাহমুদের চ্যালেঞ্জ

দায়িত্বে থাকাকালে ফাইলে অনিয়মের অভিযোগ ইস্যুতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে প্রতিমন্ত্রীকে এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।

এর আগে শনিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে গত ১৭ বছরে (জানুয়ারি, ২০০৯-১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) স্থানীয় সরকারের সার্বিক কার্যক্রমে দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য ৭ সদস্যের কমিটি গঠনের বিষয়ে জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সংবাদ সম্মেলনের একপর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সচিবের সাক্ষর ছাড়াই জোর করে ফাইল নিয়েছেন এবং নিজে সাক্ষর করে অনুমোদন দিয়েছেন। এটি রুলস অব বিজনেসের পরিপন্থি। কারণ, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবের সই ছাড়া মন্ত্রী একটি ফাইল অনুমোদন দিতে পারেন না। তবে এ বিষয়ে তদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এর প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে আসেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। সন্ধ্যা ৬টার দিকের ওই লাইভে বিষয়টিতে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন তিনি।

লাইভে আসিফ মাহমুদ বলেন, প্রতিমন্ত্রী যে অভিযোগটি এনেছেন তার স্পষ্টতা প্রয়োজন। তিনি যেন সুনির্দিষ্ট ফাইলটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেন, কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে জনগণের তা জানার অধিকার রয়েছে। তবে সচিব যদি বিদেশে থাকার কারণে বা অন্য কোনো কারণে অনুপস্থিত থাকেন, তখন জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত সচিবকে দায়িত্ব দেয়া হয়, সেটিও মন্ত্রী অথবা উপদেষ্টার অনুমোদনেই হয়। সেরকম কিছু হয়ে থাকলে তো আইনের ব্যত্যয় নেই।

উল্লেখ্য, শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে স্থানীয় সরকারের সার্বিক কার্যক্রমে দুর্নীতি হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে অনুসন্ধানে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে কমিটিকে এ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

গত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ-দপ্তর ও সংস্থায় ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু পিরোজপুর জেলায় এলজিআরডির ২ হাজার ৪৬০টি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছিল, এর মধ্যে ১ হাজার ৬১০টি প্রকল্পে কোনো কাজ না করে শুধু টেন্ডারের ফর্মালিটি মেইনটেইন করে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এভাবে অন্যান্য অনেক জেলায় রাস্তা নির্মাণ, সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রেও অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন