ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ২১ প্রার্থী এখনো নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেননি। তাদের জন্য নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। এ বিষয়ে গত শনিবার একটি চিঠি জারি করা হয়।
যে প্রার্থীরা এখনো ব্যয়ের হিসাব জমা দেননি, তারা হলেন- নীলফামারী-৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মির্জা মো. শওকত আকবর, লালমনিরহাট-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) হাবিব মো. ফারুক, রংপুর-২ আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো. আজিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) সরকার মো. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী।
এ ছাড়া চাপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আব্দুল হালিম, নাটোর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ভোলা-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মো. আইনুর রহমান (জুয়েল) মিয়া, ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিবুল্লাহ খোকন ও আমজনতার দলের মো. আলা উদ্দিন এখনো ব্যয়ের রিটার্ন জমা দেননি।
তালিকায় আরও আছেন ভোলা-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মো. আবু তৈয়ব ও জাতীয় পার্টির মো. কামাল উদ্দিন, ভোলা-৪ আসনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর আবুল কালাম ও আমজনতার দলের মো. জালাল উদ্দীন রুমী, ময়মনসিংহ-৫ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. রফিকুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, ঢাকা-১৪ আসনে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) মো. লিটন, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুশতাক আহমদ, চাঁদপুর-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের মো. এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফরিদ এল আলম এবং বান্দরবান আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দীন।
ইসির উপসচিব মো. মনির হোসেনের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি, তাদের জন্য আগে ৬ মে পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেও কয়েক প্রার্থী হিসাব জমা না দেওয়ায় নতুন করে আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। আইন অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এ লক্ষ্যে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ইসি এক চিঠির মাধ্যমে প্রার্থীদের ১৫ মার্চের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। তবে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ৯২ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেননি। এরপর সময়সীমা বাড়িয়ে ৬ মে করা হয়। এবার দ্বিতীয় দফায় তা বাড়িয়ে ১৪ জুন পর্যন্ত করা হলো।






