ঢাকা   সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বরাদ্দ নিয়েছে হাসনাত-আসিফ: কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম

ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বরাদ্দ নিয়েছে হাসনাত-আসিফ: কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া বলেছেন, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব এবং এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়েছেন। বৈষম্য সৃষ্টি করে তারা এসব বরাদ্দ নিয়েছেন। এতে অন্যান্য উপজেলা বৈষম্যের শিকার হয়েছে।

তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তারা বলুক তারা টাকা নেয় নাই। আমার জেলা পরিষদের মাধ্যমে টাকা যায় নাই তারা বলুক। দেবিদ্বারে ১০ কোটি এবং মুরাদনগরে ১৫ কোটি টাকা যায় নাই তারা বলুক।

রোববার দুপুরে গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে আসিফ-হাসনাতের প্রতি এমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া।

তিনি বলেন, তারা অস্বাভাবিক বরাদ্দ নিয়েছে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরাই বৈষম্য তৈরি করেছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অ্যাচিভমেন্ট নেওয়ার জন্য তারা দাবি করে কিন্তু এ আন্দোলনে বিএনপিও ছিল। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। মানুষ মনে করেছিল একটা বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ হবে; কিন্তু আমাদের মুরাদনগর উপজেলার সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উনার উপজেলায় প্রভাব খাটিয়ে ১৫ কোটি টাকার প্রকল্প তিনি নিয়েছেন। আরেকজন সমন্বয়ক, উনি তো কোনো উপদেষ্টাও না। উনি তখন এমপিও ছিলেন না। উনার এলাকায় ১০ কোটি টাকা অস্বাভাবিক বরাদ্দ তিনি নিয়েছেন। দুটি উপজেলায় অস্বাভাবিক বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। এগুলো কোনো স্বাভাবিক প্রকল্প ছিল না।

তিনি আরও বলেন, এ টাকাগুলো আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমেই প্রকল্পগুলো করিয়ে নেওয়া হয়েছে। তৎকালীন ওই সময়টাতে অন্যান্য উপজেলায় কোথাও ৫ লাখ কোথাও ১০ লাখ কোথাও ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দের পরিমাণ ছিল; কিন্তু এদের দুইটা উপজেলাতে ২৫ কোটি টাকা নিয়ে গিয়েছে। এটা নিয়ে কথা বলতে গিয়েই আমি বলেছি বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরাই বৈষম্যের সৃষ্টি করেছে। আমি এটাই বুঝাতে চেয়েছি।

মোস্তাক মিয়া বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ সাহেব আমাকে ফোন দিলেন। কথা বললেন। সেই কথার খণ্ডিত একটি অংশ রেকর্ড করে সামাজিক মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্যই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হাসনাত আবদুল্লাহ এ কাজটা করেছে। ওয়ান টু ওয়ান ওর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ব্যক্তিগত একটা আলাপ-আলোচনা এভাবে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়ার কারণ কী? জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্যই সে এটা করেছে। আমি মনে করি বিভ্রান্তির অবসান হওয়া উচিত। এরা বলুক এরা এই টাকাটা নেয় নাই। যদি তাদের সেই সৎ সাহস থাকে তাহলে সেটা বলুক যে আমার জেলা পরিষদের মাধ্যমে এই টাকা যায় নাই। আমার জেলা পরিষদের মাধ্যমে এডিপি এবং আমার রাজস্ব তহবিলের এ টাকা তারা নিয়েছে। সেটা তথ্য অনুযায়ী আমি কথা বলছি।

এর আগে শনিবার রাতে বিষয়টি নিয়ে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাদের বক্তব্য এবং ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন