কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা বলেছেন, আমরা ৩০ লাখ শহীদ আর দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশের স্বাধীনতা পেয়েছি। স্বাধীনতাবিরোধীরা যুদ্ধের সময় মা-বোনের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে এখনও তা করছে।
আপনারা দেখেছেন, জামায়াতের একজন এমপির কাছে নাতনির বয়সী অসহায় মেয়ে চাকরি জন্য গিয়ে ইজ্জত হারিয়েছে। জামায়াতের কাছে মা-বোন কেমন নিরাপদ দেশবাসী দেখেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) সংসদীয় আসনের উন্নয়নসহ সকল বিষয়ে তদারকি নিয়ে উপজেলার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম হলে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কামরুল হুদা বলেন, চৌদ্দগ্রামে বিএনপির অনেক নেতা আছেন, যাদের সন্তান জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত, আবার কারো কারো বউও জামায়াত করেন।
আপনি বিএনপির নেতা হয়ে মঞ্চে বসবেন, ছেলেকে জামায়াত করার সুযোগ দেবেন, আপনার বউ জামায়াত করবেন, আপনাকে রান্না করে খাওয়াবেন, দয়া করে এমন নেতারা বিএনপির অনুষ্ঠানে আসবেন না। দলের ক্ষতি করবেন না।
তিনি বলেন, চৌদ্দগ্রামে জামায়াত উন্নয়নের নামে খোকাবাজি শুরু করেছে। আপনারা দেখেছেন যে রাস্তা নির্বাচনের ৪ মাস আগে কাজ শেষ হয়েছে।
ওনি নির্বাচনের ৩ মাস পরে গিয়ে উদ্বোধন করেন। চৌদ্দগ্রামের জনগণ আপনাদের খোকাবাজি বুঝে গেছে।
মতবিনিময় সভায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জিএম তাহের পলাশীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত নারী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম রাজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি হারুনর রশীদ মজুমদার, সহ-সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান মুক্ত, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, আক্তার হোসেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সহ-সভাপতি গাজী শহিদ, উপজেলা বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম দুলাল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুলাল পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম চুট্টু, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি গুলশান আরা পুতুল, পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি মরিয়ম আক্তার শিখা, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি শাহ আলম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন মামুন, পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক মো. হাসান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফখরুল হাসান, পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইব্রাহিম খলিল অনিক।






