ছাত্রদলের হামলায় আহত ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেতাদের সুস্থতা কমান করেন তিনি।
জামায়াত আমির সাংবাদিকদের বলেন, চার দিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গণে শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রথমে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কী পরিমাণ বাড়াবাড়ি করেছে, তা দেখেছেন। এরপর মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা, ঢাকা কলেজ ও বাংলা কলেজে তাণ্ডব চালিয়েছে। এতটাই বেপরোয়া ছিল যে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত ভিপি, জিএসসহ অনেককে মারাত্মকভাবে জখম করেছে।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে যেভাবে হেলমেট ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হতো, একই কায়দায় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরাও তাণ্ডব চালাচ্ছে। ঢাকা আলিয়ায় অধ্যক্ষ যখন ঠেকানোর চেষ্টা করে, তখন তার ওপরও হামলা করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। ১১টি সেলাই দিতে হয়েছে বলে শুনেছি।
জামায়াত আমির বলেন, আহতদের ওপর হাসপাতালেও হামলা চালানো হয়েছে। রোগীর স্বজনরাও ছাত্রদলের সন্ত্রাসী হামলা থেকে রেহাই পাননি। একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীও হামলার শিকার হয়েছেন। যদি এসব ঘটনার বিচার না হয়, তবে ধরে নেবো বিএনপির পরোক্ষ ইন্ধনেই এসব তাণ্ডব চালানো হচ্ছে।
গত সপ্তাহে হবিগঞ্জে ছাত্রদলের হামলায় এনসিপি কর্মী আলিফ চৌধুরীর চোখ হারানোর ঘটনায় শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকারি দলের পক্ষ থেকে তাকে দেখতে না যাওয়ার বিস্ময়কর। সরকার কোনো দলের নয়, সরকার জনগণের।
এ সময় জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, শিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।






