এনটিআরসিএ এর পরিবর্তে আবারও ব্যবস্থাপনা (ম্যানেজিং) কমিটির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ হলে স্বজনপ্রীতি, দলীয় প্রভাব ও ঘুষ-বাণিজ্যের পুরোনো চক্র আবার ফিরবে বলে আশঙ্কা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ম্যানেজিং কমিটির কাছে শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের নিন্দা ও প্রতিবাদও জানিয়েছে দলটি।
সোমবার জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান শর্ত যোগ্য, মেধাবী ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ। নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্ব ম্যানেজিং কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হলে শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক লেনদেনের সুযোগ তৈরি হবে।
বিবৃতিতে বলেছেন, এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের যে প্রক্রিয়া চালু রয়েছে, তা মেধা, যোগ্যতা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছে। এর ফলে একজন প্রার্থীকে নিজ যোগ্যতায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। য়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি অনেকাংশে নিশ্চিত হয়েছে।
বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও জটিলতাগুলো দূর করে এনটিআরসিকে আরও স্বচ্ছ, কার্যকর ও বাস্তবমুখী করার পরিবর্তে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হলে অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে জামায়াত। গোলাম পরওয়ার বলেছেন, করে দলীয় প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ পুনরায় সামনে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে সরকারি কর্ম কমিশনের মতো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।






