ঢাকা   শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

১৩ সিটিতেই একক নির্বাচন করতে চায় তিন দল

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৫ এএম

১৩ সিটিতেই একক নির্বাচন করতে চায় তিন দল

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না হলেও এরই মধ্যে ভোটের প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। অরাজনৈতিক নির্বাচন হলেও ভেতরে ভেতরে প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দলই নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা বাছাইয়ের কাজ করছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি এবং প্রধান বিরোধী দল জামায়াত ও তাদের অন্যতম মিত্র এনসিপি এক্ষেত্রে বেশ সরব। প্রস্তুতি নিলেও এখন পর্যন্ত কোনও সিটি নির্বাচনেই সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি বিএনপি। মূলত প্রতিটি এলাকায় দলটির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে একজনকে বাছাই করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির একাধিক নেতা।

দলীয় হাইকমান্ড জানিয়েছেন, কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হবে। অপরদিকে জামায়াত ও এনসিপি বেশ কয়েকটি আসনে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। পর্যায়ক্রমে তারা সব প্রার্থীর নাম প্রকাশ করবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তিন দলের নেতারাই জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনে নিজেদের সক্ষমতা যাচাই ও সাংগঠনিক বিস্তৃতি জানান দিতে তারা নিজেদের দলীয় প্রার্থী রাখতে চান। তবে এ ক্ষেত্রে শরিকদের সঙ্গে মনোমালিন্যও হতে পারে। এমন আশঙ্কা থাকলেও তৃণমূলে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ।

১৩ সিটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী কারা?

নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত না হলেও দেশের ১৩টি সিটিতে সম্ভাব্য একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম আলোচিত হচ্ছে। তারা তাদের নিজস্ব অবস্থান থেকে এলাকায় নিজেদের প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন। দোয়া চেয়ে ব্যানার-ফেস্টুন ও সাঁটিয়েছেন।

এর মধ্যে ঢাকার দক্ষিণ সিটিতে দলের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন—বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বর্তমান সিটি প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

অপরদিকে ঢাকা উত্তর সিটিতে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইয়ুম, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বর্তমানে সিটি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নামও আলোচনায় আছে।

চট্টগ্রাম সিটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন—বর্তমান মেয়র ডা. শাহাদাৎ হোসেন, নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর ও নগর বিএনপির বর্তমান সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনে আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—বর্তমান প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শওকত শাহীন, রাজশাহী মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন অর রশিদ ও রাজশাহী সিটির সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন—সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ কে এম শহিদুল্লাহ, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাড. মীর জাহিদুল কবির জাহিদ, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, বর্তমান সিটি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন, বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নজরুল ইসলাম খান রাজন, বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও বিএম কলেজের সাবেক জি এস অ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম।

খুলনা সিটিতে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা হলেন—সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, যিনি গত সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। অপরদিকে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা এবং সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনিরের নামও আলোচনায় আসছে।

সিলেট সিটিতে বিএনপির মেয়র পদে অন্যতম প্রার্থী হিসেবে আলোচিত ছিলেন সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তবে গত সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী হন। তাই তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনা নেই। এর মধ্যে জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকীর নাম। আরও আলোচনায় আছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক নির্বাচিত সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনেও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে রয়েছেন দুইবারের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, বর্তমান সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, নগর বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবু এবং বিএনপি নেতা কাউসার জামান বাপ্পী। এর মধ্যে সাবেক মেয়র সাক্কু ২০২৪ সালের সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় বহিষ্কার হন। কিন্তু এখনও তা প্রত্যাহার করা হয়নি। তারপরও তিনি দল থেকে মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির তিন নেতা মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে বর্তমান প্রশাসক মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মাহফুজুন্নবী ডন প্রার্থী হচ্ছেন এটা মোটামুটি নিশ্চিত। তিনি ইতোমধ্যে গণসংযোগসহ ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এর বাইরে মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা শহীদুল ইসলাম মিজু অনেক দিন আগেই রংপুর সিটি কররেপারেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন।

অন্যদিকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৩ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান শামু মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকদিন ধরে আলোচনা আছে।

ময়মনসিংহ সিটিতে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন বর্তমান প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এমরান সালেহ প্রিন্স, সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ার, ফুলপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ এনায়েতুর রহমান ও সাবেক পৌর মেয়র আমিনুল হক।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে এখনও কারও নাম জানা যায়নি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন বর্তমান প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, বিএনপি নেতা জাকির খান ও রাকিবুল ইসলাম খান। এর বাইরে আলোচনায় আছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা তৈমুর আলম খন্দকার। এখনও তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা হলেও তিনি বিএনপিতে ফিরতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। আরেকটি সূত্রের দাবি, সাখাওয়াত হোসেন খানকেই প্রার্থী হিসেবে বেছে নিতে পারে দলের হাইকমান্ড।

এদিকে নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান প্রশাসক ও জেলার বিএনপির সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীনকে বেছে নিতে পারে দলের মনোনয়ন বোর্ড। এমনটি মনে করছে দলের একটি সূত্র।

মনোনয়ন পাবেন কারা?

বিএনপির দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিগত দিনের ত্যাগী ও নির্যাতিতদের মূল্যায়ন করা হবে। বিতর্কিতদের সুযোগ দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। এরপর দলীয় মনোনয়ন বোর্ড তাদের মনোনয়ন দেবে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘‘স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপি বরাবরই জনপ্রিয় প্রার্থীদের বেছে নেয়। সিটি নির্বাচনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলের দুর্দিনে কার কতটুকু অবদান বা আনুগত্য ছিল, বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। আর কোনও অপকর্মে জড়িত বা শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের কোনোভাবেই সুযোগ দেওয়া হবে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘ইতোমধ্যে আলোচিত নেতাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সব কিছু বিবেচনায় এনেই প্রার্থী বাছাই করা হবে।’’

আগাম প্রর্থিতা চূড়ান্ত জামায়াতের

বিএনপি এখনও কোনও সিটিতে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত না করলেও বেশিরভাগ সিটিতে নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, চট্টগ্রামে সাবেক কাউন্সিলর শামসুজ্জামান হেলালী, বরিশালে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, রংপুরে এটিএম আজম খান, ময়মনসিংহে কামরুল আহসান এমরুল, নারায়ণগঞ্জে শিবিরের সাবেক সভাপতি আব্দুল জব্বার ও গাজীপুরে হাফিজুর রহমানকে মেয়র প্রার্থী করছে জামায়াত।

আর কুমিল্লা, সিলেট, খুলনা ও বগুড়া সিটিতে এখনও প্রার্থিতা ঘোষণা করেনি দলটি। এর মধ্যে খুলনা সিটিতে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচন করতে পারেন বলে জানিয়েছে দলটির একটি সূত্র। তবে বিষয়টি দলের হাইকমান্ড থেকে এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। অন্যদিকে কুমিল্লায় মহানগর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, মাস্টার মোসলেহ উদ্দিন ও ভিপি মজিবসহ অনেকের নাম আলোচনায় আছে। অন্যদিকে বগুড়ায় জামায়াতের প্রার্থী হতে পারেন শহর আমির আবিদুর রহমান সোহেল। এমনটি জানিয়েছে দলীয় সূত্র। তিনি গত জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-২ আসন থেকে তারেক রহমানে বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান।

৬টিতে এনসিপির তালিকা চূড়ান্ত

জামায়াতের সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের শরিক দল হলেও সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও ঢাকা উত্তর সিটিতে দলটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এছাড়া সিলেটে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান আফজাল, রাজশাহীতে মোবাশ্বের আলী এবং কুমিল্লা সিটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম।

আর চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক মেয়র মঞ্জুরুল ইসলামকে প্রার্থী করার ব্যাপারে চেষ্টা চলছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। আর বাকি আসনগুলোতেও প্রার্থী বাছাই চলছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, ‘‘বাকি সিটিতে প্রার্থী বাছাই চলছে। এক্ষেত্রে গণমুখী ও ক্লিন ইমেজধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’’

এককভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত তিন দলের

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এক্ষেত্রে যুগপতের শরিকদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান। গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে দলীয় চেয়ারম্যানের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান। শরিকদের যেমন ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, তেমনই দলের ভেতরে সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হবে। দলের একটি সূত্র জানায়, বিএনপির জরিপে কোনও সিটিতেই শরিকদের তেমন অবস্থান নেই। তাই তাদের ছাড় দিয়ে ঝুঁকি নিতে চায়নি দলটি। বরং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে তাদের কাজে লাগানোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও এককভাবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। সম্প্রতি বিভিন্ন কর্মসূচিতে এমন ঘোষণা দেন দলটির শীর্ষ নেতারা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘‘জামায়াত জোটগত নির্বাচন করবে না। কারণ এতে তৃণমূলে কার কতটা অবস্থান আছে, তা প্রমাণ হবে। তাছাড়া এতে দল গোছানোর সুযোগও পাওয়া যাবে।’’

একই কথা জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। গত ২৪ আগস্ট চট্টগ্রামে এক কর্মসূচিতে তিনি জানান, তারা অবশ্যই এককভাবে অংশগ্রহণ করবেন। তাদের অধিকাংশ সিটিতে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, জয়ী না হলেও এতে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হবেন ও নেতৃত্ব বিকশিত হবে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন