ঢাকা   শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

দাড়ি নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ তুলে সংসদে বিচার চাইলেন বিএনপির মনিরুল

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

দাড়ি নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ তুলে সংসদে বিচার চাইলেন বিএনপির মনিরুল

জাতীয় সংসদে নিজের দাড়ি ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। এ ঘটনায় নিজের দলেরই এক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে স্পিকারের কাছে এর বিচার দাবি করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এর আগে বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন একটি গল্পকে কেন্দ্র করে আমার বক্তব্যের কিছু অংশ স্পিকারের আসন থেকে এক্সপাঞ্জ করা হয়েছিল। বক্তব্যের কোনো অংশ কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া স্পিকারের এখতিয়ার। যার বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করা হয়েছে, তারও জানার অধিকার আছে কোন শব্দটি অসংসদীয় ছিল। কিন্তু আমি সেটা জানতে পারিনি। এ বিষয়ে আমি ৩০০ বিধিতে নোটিশ দিয়েছিলাম।

এরপর ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নামাজের বিরতির পর তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, একজন সংসদ সদস্য তাকে ‘মানবতাবিরোধী’ ও ‘বর্ণবৈষম্যবাদী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ওই সংসদ সদস্য তার দাড়ি নিয়েও কটাক্ষ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমার দলেরই এক সদস্য বলেছেন—নীল নদের পানি যেমন নীল হয় না, তেমনি সকলে দাড়ি রাখলেই নাকি মুসলমান হয় না।

এ ধরনের মন্তব্যকে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সম্মানের ওপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেন মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, আমার ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করা হয়েছে, আমার ইজ্জতে আঘাত করা হয়েছে। দাড়ি কারও ব্যক্তিগত ব্যাপার না, দাড়ি নবীর সুন্নত। এটা নিয়ে কটাক্ষ করার এখতিয়ার এই সংসদে কেন, বাইরেরও কাউকে দেওয়া হয়নি। আমি এর বিচার চাই।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওইদিন সংসদের শিষ্টাচার বা ডেকোরাম ভঙ্গ করে কয়েকজন সংসদ সদস্য তার দাড়ি নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। তবে তার পক্ষে যারা বক্তব্য দিতে চেয়েছিলেন, তাদের কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

নিজের পাশাপাশি সংসদের মর্যাদা রক্ষায় এ বিষয়ে স্পিকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চান বিএনপির এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, আমি বলতে চাই না, আমি বললে হাউজ আরও গরম হতে পারে বলে সবাই মনে করে। কিন্তু আমার ইজ্জতের খাতিরে, সংসদের ইজ্জতের খাতিরে এবং প্রবীণতার ইজ্জতের খাতিরে আমাকে বলতে হবে, আমি কোন অসংসদীয় শব্দটি বলেছিলাম।

তিনি জানান, এ বিষয়ে ৩০০ বিধিতে নোটিশ দিয়েছেন। স্পিকারের কাছ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক জবাব পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন