ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ৯মাসেও তদন্ত না হওয়ায় ক্ষোভ

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ৯মাসেও তদন্ত না হওয়ায় ক্ষোভ

​কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দুর্গারাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ময়নাল হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রায় ১০মাস সময় অতিবাহিত হলেও তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
​
জানা যায়, গত বছরের ১৪ জুলাই দুর্গারাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক এবং কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। দীর্ঘ একটি সময় পেড়িয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায় নি। শিক্ষকদের দাবি, অদৃশ্য কোনো এক কারণে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

​লিখিত অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনা হয়েছে। বিদ্যালয়ের দরিদ্র তহবিলের অর্থ আত্মসাৎ এবং এসএসসি-২০২৫ পরীক্ষায় বেঞ্চ মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ কোনো কাজ না করেই পকেটে ভরা।
​অতিরিক্ত ফি আদায়, শিক্ষার্থী ভর্তি, টিসি (ছাড়পত্র) ও মূল সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম বহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়। শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে প্রতিনিয়ত অসৌজন্যমূলক আচরণ ছাড়া পিয়ন দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করানো এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য শিক্ষকদের নিজ বাসায় যেতে বাধ্য করার মতো অভিযোগও রয়েছে।
​শিক্ষকদের দাবি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এমন স্বেচ্ছাচারী আচরণের সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষার ক্ষেত্রে।

​২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র দুইজন জিপিএ-৫ পেয়েছে এবং ৪০ জনই অকৃতকার্য হয়েছে। ​চলতি বছরের প্রাক-নির্বাচনী (প্রি-টেস্ট) পরীক্ষায় ৮৫ জনের মধ্যে মাত্র ২০ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পেরেছে।

​দুর্নীতির পাশাপাশি বিদ্যালয়টি চরম শিক্ষক সংকটে ভুগছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের স্থায়ী পদসহ পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক এবং অফিস সহকারী পদ শূন্য রয়েছে। পর্যাপ্ত পিয়নও নেই সেখানে।

​অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ময়নাল হোসেন সরকার বলেন, আমি অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত কমিশন গঠন করা হলে আমি সবকিছুর যথাযথ জবাব দিতে প্রস্তুত আছি।

​কুমিল্লার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের আঞ্চলিক উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিসার দেখবেন। জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে (01714300613) একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন