কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. রুহুল আমিনকে (৪৫) দিনদুপুরে ৪-৫ জন যুবক মিলে অপহরণের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। পরে ওই যুবলীগ নেতা ২ লাখ টাকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
১১ সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়- যুবলীগ নেতা রুহুল আমিনকে ৪-৫ যুবক টিশার্টের কলার এবং প্যান্টের মাজায় ধরে টানাহেঁচড়া করে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় বলতে শোনা যায়- ‘আপনি আমার সঙ্গে আইয়েন কেউ মারতো না’ এই কথা বলে নিয়ে যায়।
যুবলীগ নেতা রুহুল আমিন বলেন, মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ১টার দিকে আমি দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুরে যাই। কাজ শেষ করে দুপুর ২টার সময় বের হয়ে হাসপাতালের গেটে সরকার ফার্মেসির সামনে পৌঁছলে দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়নের ভাজরা গ্রামের বন্দর আলীর ছেলে কালু মিয়াসহ (৩৫) অজ্ঞাত ৮-১০ জন আমাকে আটকিয়ে কেউ টিশার্টের কলার ধরে কেউ প্যান্টের মাজায় ধরে টানাহেঁচড়া করে মারতে মারতে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, ওখানে নিয়ে আমার সঙ্গে থাকা নগদ ৮ হাজার ৫শ টাকা এবং বিকাশে থাকা তিন হাজার টাকাসহ মোট এগারো হাজার ৫শ টাকা ও মানিব্যাগ নিয়ে যায়। পরে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে আমার স্ত্রী হাসি আক্তারকে ফোন করে বলে ১০ লাখ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দিবে। স্ত্রী হাসি আক্তার দক্ষিণ পেন্নাই মোল্লা বাড়িসংলগ্ন খামার জঙ্গল বাড়িতে গিয়ে ২ লাখ টাকা দিয়ে আমাকে ছাড়িয়ে আনে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রুহুল আমিন বাদী হয়ে দাউদকান্দি ভাজরা গ্রামের বন্দর আলীর ছেলে কালু মিয়ার (৩৫) নাম উল্লেখ ও ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে দাউদকান্দি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি আব্দুল বারি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি- অভিযোগকারী রুহুল আমিনের কাছে আসামি কালু মিয়া টাকা পান। সেই টাকার জন্য নাকি আটক করেছে। তারপরেও আমরা সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব।






