ঢাকা   সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

এই তারিখে নাকি ধ্বংস হবে পৃথিবী! ভবিষ্যদ্বাণী ও গবেষণা নিয়ে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি

Authorনিউজ রুম

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ পিএম

এই তারিখে নাকি ধ্বংস হবে পৃথিবী! ভবিষ্যদ্বাণী ও গবেষণা নিয়ে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি

এই তারিখে নাকি ধ্বংস হবে পৃথিবী! ভবিষ্যদ্বাণী ও গবেষণা নিয়ে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ১৯৬০ সালে সায়েন্স জার্নাল একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিল। যেখানে দাবি করা হয়েছিল ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। সেই দিনটি খুব কাছে চলে এসেছে। সে কারণে এই গবেষণা নিয়ে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। 

৬৬ বছর আগে সায়েন্স জার্নালের সেই গবেষণাপত্রটিতে ভবিষ্যদ্বাণীটি করেছিলেন অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন অধ্যাপক ও সাইবারনেটিকস বিশেষজ্ঞ হাইঞ্জ ফন ফোরস্টার এবং তার দুই শিষ্য প্যাট্রিসিয়া এম মোরা ও লরেন্স ডব্লিউ আমিট। তাদের ভবিষ্যদ্বাণী অবশ্য খুব বেশি অবাস্তব নয়। 

তাদের দাবি ছিল, বৈশ্বিক জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে প্রতি ক্ষণে। সে কারণে ২১ শতকের মাঝপথে তা এমন এক সংখ্যায় গিয়ে পৌঁছাবে যা প্রায় অসীম। আর এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণেই মানুষ মারা যাবে। তারা ২ হাজার বছরের জনমিতি বা ডেমোগ্রাফিকসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এই দাবিটি করেন। তাদের এই দাবি ষাটের দশকে আলোচনার জন্ম তো দিয়েছিলই, সঙ্গে জিনগত, বাস্তুসংস্থান ও জনমিতির বিভিন্ন পাঠ্যবইয়েও এই তত্ত্ব উঠে এসেছিল।

এই দাবি টাইম ও নিউইয়র্ক টাইমসে শিরোনাম হয়েছিল। এমনকি পোগো কমিক স্ট্রিপেও এর ছাপ পড়ে। সায়েন্সের চিঠিপত্রের পাতায় গণিতবিদ ও জনসংখ্যাবিদেরা এর কড়া সমালোচনা করেন। তবু লেখকেরা নিজেদের হিসাবে অটল থাকেন।

এরপর তাদের পূর্বাভাস অদ্ভুতভাবে মিলে যেতে থাকে। ১৯৭০ ও ১৯৮০-র দশকে এই সমীকরণ বেশির ভাগ জনসংখ্যাবিদের হিসাবের চেয়ে ভালো ফল দেয়। এটি পাঠ্যবইয়ে জায়গা পায়। ১৯৬৩ সালে কানাডার সংসদীয় কমিটিতেও এর উল্লেখ হয়। ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে এক গর্ভপাত মামলাতেও এটি উঠে আসে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট এ কথা জানিয়েছে।

তবে ১৯৯৩ সালের দিকে পূর্বাভাসটি ভুল হতে শুরু করে। তখন থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ওই রেখার পেছনে পড়তে থাকে। গবেষণাপত্রে বিশ্বকে জন্মহার অর্ধেকে নামানোর আহ্বান জানানো হয়েছিল। আজ বিশ্বের জন্মহার ১৯৬০ সালের অর্ধেকের চেয়ে সামান্য কম।

কানাডার ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালান ম্যাকইচার্ন এই তত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছেন। তিনি জন্মহার কমে যাওয়ার এই হারকে তুলে ধরে দেখিয়েছেন, এই তত্ত্বটি সঠিকভাবে বিষয়টাকে তুলে ধরতে পারেনি। যে কারণে ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দাবিটিও ভুল ও ভিত্তিহীন।

ষাটের দশক অবশ্য এমন তত্ত্বের জন্য বিখ্যাতই ছিল। মার্কিন বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মী ও ইউএফও গবেষক চ্যান থমাস তার ‘দ্য অ্যাডাম অ্যান্ড ইভ স্টোরি’ বইতে দাবি করেন এমন কিছুর। তার দাবির ভিত্তি অবশ্য ছিল পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিপর্যয়। তার দাবি ছিল, প্রতি ৬০০০ বছর পরপর পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে বিশাল পরিবর্তন আসে। সেটা এবার হলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। 

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ সেই বই বহু বছর গোপন রেখেছিল। ২০১৩ সালে সে নথি অবমুক্ত করে দেওয়া হয়।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন