বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) সাম্প্রতিক সময়ে ২৫০ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে এনেছেন দেশের বিশিষ্ট স্পোর্টস সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিম। তার ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে জাতি প্রথম জানতে পারে, বোর্ড অব ডিরেক্টরসের অনুমোদন ছাড়া বিসিবির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ কীভাবে ২৫০ কোটি টাকা উত্তোলন ও ২৩৮ কোটি টাকা এককভাবে ট্রান্সফার করেছেন।
এই ঘটনাটি কেবল ক্রীড়াঙ্গন নয়, বরং পুরো দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বিশ্বাসযোগ্যতায় এক বড় ধাক্কা। প্রশ্ন উঠছে—কার স্বার্থে বোর্ড প্রধান এমন বিপুল পরিমাণ অর্থ একক সিদ্ধান্তে সরালেন? এই আর্থিক অনিয়মের পেছনে কি লুকানো কোনো সিন্ডিকেট কাজ করছে?
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, রিয়াসাদ আজিমের রিপোর্ট প্রকাশের পর থেকেই কিছু চক্র তাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। বিভিন্ন ক্লোজড ডোর মিটিংয়ে তাকে হুমকি ও আক্রমণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল চান না এই দুর্নীতির চিত্র জনসম্মুখে আসুক।
রেডিও বার্তা নিশ্চিত করছে, এই ষড়যন্ত্র, হুমকি ও দুর্নীতির প্রতি আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। সত্য প্রকাশের এই লড়াই থেকে আমরা সরে আসবো না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কলম চালানো সাংবাদিকদের পাশে আছি, থাকবো।
সতর্ক বার্তা অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে
সমাজে এ ধরনের ভয়ংকর দুর্নীতি ও এর প্রতিবাদকারীদের উপর হুমকি শুধুই রাষ্ট্রীয় কাঠামো নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও হুমকির মুখে ফেলে দেয়। সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিমদের মতো মানুষদের সুরক্ষা শুধু রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়, প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।
মা-বাবাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ:
আপনার সন্তান কী ধরনের কনটেন্ট দেখছে, কারা তাদের নায়ক হয়ে উঠছে—সেদিকে খেয়াল রাখুন। কিশোর গ্যাং, দুর্নীতির গডফাদার কিংবা অপরাধপ্রবণ চরিত্র যেন আপনার সন্তানের অনুপ্রেরণা না হয়। তাদের শেখান সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এবং ন্যায়কে ভালোবাসতে।
এই সমাজ আমাদের সকলের। আজ যদি আমরা চোখ বন্ধ করি, কাল হয়তো আমাদের সন্তানরাই এই অন্ধকারে হারিয়ে যাবে।
রেডিও বার্তা – জনগণের কণ্ঠস্বর, সত্যের প্রতিচ্ছবি।
✍ রিপোর্ট: রেডিও বার্তা ইনভেস্টিগেশন ডেস্ক






