মেজর লিগ সকারে সান হোসে আর্থকোয়েকসের বিপক্ষে গোলবৃষ্টির এক নাটকীয় ম্যাচে ৩-৩ গোলে সমতায় থামে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। মাঠের উত্তাপ আর শেষ মুহূর্তের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত যেন ফুটে উঠল মেসির মুখে—স্পষ্ট রাগ ও হতাশা।
২০০৯ সালের পর প্রথমবার বে এরিয়ায় পা রাখেন মেসি। তার আগমনকে ঘিরে স্থানীয় মিডিয়ায় ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেলেও মাঠে ইন্টার মায়ামির পারফরম্যান্স এবং ম্যাচের মোড় যেন ছায়া ফেলল সেই আগ্রহে।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই ইন্টার মায়ামিকে এগিয়ে দেন ম্যাক্সি ফ্যালকন। কোচ হ্যাভিয়ের মাশ্চেরানোর জন্য এটি ছিল স্বপ্নের শুরু। কিন্তু সেই স্বপ্ন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সান হোসের হয়ে ক্রিস্তিয়ান আরাঙ্গো দ্রুতই গোল করে সমতা ফেরান।
এরপর শুরু হয় একের পর এক গোলের স্রোত। দুই দলের রক্ষণভাগ যেন বারবারই ভুল করছিল। মায়ামির হয়ে জোড়া গোল করেন তাদেও আলেন্দে। সান হোসের হয়ে গোল করেন বউ লেরো এবং ইয়ান হার্কস। পুরো ম্যাচজুড়ে গোলের উৎসব চললেও রোমাঞ্চ জমে ওঠে শেষ সময়ে।
ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে বক্সের বাইরে মেসিকে ফাউল করা হয়, যা তার স্বাচ্ছন্দ্যজনক ফ্রি কিকের জায়গা। কিন্তু রেফারি বাঁশি বাজান অফসাইডের সিদ্ধান্তে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মেসি। তিনি রেফারিদের দিকে এগিয়ে গিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। দুই দলের খেলোয়াড়, এমনকি সান হোসের কোচ ব্রুস অ্যারেনাও এগিয়ে আসেন তাকে শান্ত করতে।
রেফারির এক মন্তব্য—“আপনি কি লাল কার্ড চান?”—ঘটনার গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলে।
এই ড্রয়ের মাধ্যমে ইন্টার মায়ামি তাদের শেষ ছয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জয়বঞ্চিত থাকল। দলটির মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণের অভাব, দুর্বল ডিফেন্স ও মেসির বাড়তে থাকা হতাশা যেন ভবিষ্যতের জন্য অশনি সঙ্কেত।
সবমিলিয়ে, চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মাশ্চেরানোর দল। প্রশ্ন এখন একটাই—এই হতাশার ছায়া সরিয়ে কী মেসিরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন?






