ঢাকা   শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

নিজের দেওয়া পরামর্শেই ফাঁদে পড়লেন বিরাট কোহলি

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬, ০১:১১ পিএম

নিজের দেওয়া পরামর্শেই ফাঁদে পড়লেন বিরাট কোহলি

নিজের দেওয়া পরামর্শেই ফাঁদে পড়লেন বিরাট কোহলি

স্পোর্টস ডেস্ক : আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচে যেন নিজের দেওয়া পরামর্শেই ফাঁদে পড়লেন বিরাট কোহলি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর এই তারকা ব্যাটার ১ হাজার ১১০ দিন পর আইপিএলে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। আর তাকে ফিরিয়ে দেওয়া তরুণ পেসার প্রিন্স যাদব ম্যাচ শেষে জানালেন, এই উইকেটের পেছনে ছিল খোদ কোহলিরই পরামর্শ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) উত্তর প্রদেশের একানা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২১৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন কোহলি। ১৪০.৪ কিলোমিটার গতির ইনসুইং ডেলিভারিতে তার অফ স্টাম্প উড়িয়ে দেন ২৪ বছর বয়সী প্রিন্স যাদব। অফ স্ট্যাম্পের বাইরে পিচ করে ভেতরে ঢুকে যাওয়া বলটি ব্যাট-প্যাডের মাঝের ফাঁক গলে স্টাম্প ভেঙে দেয়। আউট হওয়ার পর কিছুক্ষণ বিস্মিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন কোহলি।

ম্যাচ শেষে প্রিন্স জানান, আগের ম্যাচের পর কোহলির সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। তখন ভারতীয় তারকা তাকে বলেছিলেন, বল সুইং করলে শুধু সঠিক লেংথ ধরে রেখে বোলিং চালিয়ে যেতে। সেই পরামর্শই কাজে লাগান তিনি। প্রথমে একটি আউটসুইং ডেলিভারি করে পরের বলেই ইনসুইং করান; আর তাতেই আসে বড় উইকেটটি।

আইপিএলে গত তিন বছরে এই প্রথম শূন্য রানে আউট হলেন কোহলি। সবশেষ ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই আউট হয়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনার ১ হাজার ১১০ দিন পর আবারও ‘ডাক’ দেখলেন আইপিএলের অন্যতম সফল এই ব্যাটার।

রান তাড়ায় কোহলির সর্বশেষ শূন্য রানের ইনিংস ছিল ২০১৭ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে বেঙ্গালুরু মাত্র ৪৯ রানে অলআউট হয়েছিল, যা এখনও আইপিএলের ইতিহাসে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।

এদিকে এই শূন্য রানটি আইপিএলে কোহলির ক্যারিয়ারের ১১তম ডাক। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে সবচেয়ে বেশি শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ডেও এখন শীর্ষে তিনি। আরসিবির হয়ে ২৭৭ ম্যাচে ১১ বার শূন্য রানে ফিরেছেন কোহলি। তার পরে রয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও এবি ডি ভিলিয়ার্স, যাদের দুজনেরই রয়েছে ৮টি করে ডাক।

ম্যাচের আগে অবশ্য দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন কোহলি। এবারের আসরে আগের ৯ ম্যাচে তার সংগ্রহ ছিল ৩৭৯ রান। তিনটি ফিফটির পাশাপাশি সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৮১ রানের।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচটি পরে ১৯ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। আগে ব্যাট করে মিচেল মার্শের ৫৬ বলে ১১১ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে লখনউ তোলে ২০৯ রান। তার ৯টি চার ও ৯টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্বাগতিকরা।

জবাবে শুরুতেই কোহলি ও জ্যাকব বেথেলের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বেঙ্গালুরু। পরে রজত পাতিদারের ৬১ রানের ঝড়ো ইনিংস এবং টিম ডেভিড, ক্রুনাল পান্ডিয়া ও রোমারিও শেফার্ডের লড়াই ম্যাচে উত্তেজনা ফেরালেও শেষ ওভারে দিগ্বেশ রাঠির নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ডিএলএস পদ্ধতিতে ৯ রানের জয় নিশ্চিত করে লখনউ সুপার জায়ান্টস।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!