জোড়া গোলের আলো ঝলমলে পারফর্মেন্সে গ্যালারি মাতালেন মেসি
স্পোর্টস ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ফুটবলকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানোর পর ক্লাব ফুটবলে ফিরে নিজের প্রথম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। জোড়া গোলের আলো ঝলমলে পারফর্মেন্সে তিনি মাতিয়ে রাখলেন গ্যালারি।
মেসির সঙ্গে তাল মিলিয়ে জোড়া গোল করেছেন আরেক উরুগুইয়ান তারকা লুইস সুয়ারেজও। এই দুই মহাতারকার নৈপুণ্যে ভর করে ডিসি ইউনাইটেডকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইন্টার মায়ামি।
মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) চলতি মৌসুমে এ নিয়ে সর্বোচ্চ ২৩টি গোল করলেন মেসি। গত মৌসুমে ২৮ ম্যাচে ২৯ গোল ও ১৯টি অ্যাসিস্ট করে মায়ামির এই অধিনায়ক এমএলএসের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের (এমভিপি) খেতাব জিতেছিলেন।
লিগের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার এই সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ছোঁয়া মেসি এবারও রয়েছেন সেই অপ্রতিরোধ্য ফর্মে।
মাত্র চার দিন আগেই আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন মেসি। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও ফিটনেসে যে একটুও মরিচা পড়েনি, তার প্রমাণ মিলল পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থেকে।
৪৭ মিনিটে মায়ামির ব্যবধান দ্বিগুণ করার পথে দলের হয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন মেসি।
বন্ধু সুয়ারেজের বাড়ানো নিখুঁত পাস থেকে ছয গজ দূর থেকে আলতো স্পর্শে বল জালে জড়ান তিনি। এরপর ৬০ মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের বাড়ানো বল ধরে ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে দৃষ্টিনন্দন ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি নিশ্চিত করেন তিনি।
এর আগে অবশ্য ম্যাচের সূচনাতেই ঝড় তোলে মায়ামি। তৃতীয় মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেন লুইস সুয়ারেজ। এরপর ৩৯ মিনিটে মেসির একটি শট প্রতিহত হলেও ফিরতি বলে দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় ব্যবধান ২-০ করেন এই উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড।
এই দুর্দান্ত জয়ের মধ্য দিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার খরা কাটল ইন্টার মায়ামির। এর আগের পাঁচ ম্যাচের মধ্যে তারা চারটিতে ড্র ও একটিতে হারের তেতো স্বাদ পেয়েছিল। গত ২৯ আগস্ট সিএফ মন্ট্রিলকে ৭-১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করার পর এটিই ছিল দলটির প্রথম জয়ের মুখ দেখা। একই সঙ্গে গত ১৬ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেওয়া নতুন কোচ ক্রিস্টিয়ান গঞ্জালেসও এমএলএসে তার প্রথম জয়ের স্বাদ পেলেন।
এই জয়ে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে মায়ামি, যেখানে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ন্যাশভিল।






