টানা তিন ম্যাচ বেঞ্চে কাটানোর পর অবশেষে সুযোগ পেলেন বাংলাদেশের তরুণ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) করাচি কিংসের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে দলে ফিরিয়েছে লাহোর কালান্দার্স। এই ম্যাচে জয় পেলে পয়েন্ট টেবিলে আরও ওপরে উঠে যাবে লাহোর, তাই রিশাদের অন্তর্ভুক্তি দলটির কৌশলগত পরিকল্পনারই অংশ।
ডাগআউট থেকে মূল একাদশে ফেরা
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস ভাগ্য করাচি কিংসের পক্ষে গেলেও, ম্যাচের শুরুতেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন রিশাদ। শক্তিশালী ২০ সদস্যের স্কোয়াডে থাকা চ্যালেঞ্জিং হলেও, ফের একাদশে ফেরা তার পরিশ্রম ও ধৈর্যেরই স্বীকৃতি।
এর আগে এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাহোর কালান্দার্সের কর্ণধার সামীন রানা জানিয়েছিলেন, রিশাদের একাদশে ফেরার সম্ভাবনার কথা। তিনি বলেন, “রিশাদ আমাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যদিও স্কোয়াডে ২০ জন থাকলেও, নিয়ম অনুযায়ী মাত্র চারজন বিদেশি খেলতে পারে। তবে আমরা কন্ডিশন ও দলীয় ভারসাম্য বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেই।”
কেন একাদশে নেওয়া হলো রিশাদকে?
লাহোরের পিচ সাধারণত পেসারদের সহায়ক হলেও, সময়ের সঙ্গে শুকিয়ে গেলে স্পিনাররা কার্যকর হয়ে ওঠেন। এমন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই করাচির বিপক্ষে দলে জায়গা পেয়েছেন রিশাদ। তার লেগ স্পিন ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখতে পারে, বিশেষ করে উইকেট যদি টার্ন করা শুরু করে।
এদিকে, আট ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে লাহোর রয়েছে টেবিলের তৃতীয় স্থানে। করাচির বিপক্ষে জয় পেলে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। রিশাদ দলে ফেরায় বোলিং আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।
লাহোর কালান্দার্সের একাদশ (করাচির বিপক্ষে ম্যাচে)
- ফখর জামান
- মুহাম্মদ নাঈম
- আব্দুল্লাহ শফিক
- ড্যারিল মিচেল
- স্যাম বিলিংস (উইকেটরক্ষক)
- সিকান্দার রাজা
- আসিফ আলী
- রিশাদ হোসেন
- শাহীন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক)
- হারিস রউফ
- আসিফ আফ্রিদি
সব মিলিয়ে, রিশাদের জন্য এটি বড় সুযোগ, যেখানে তিনি নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করতে পারবেন এবং দলকে জয়ে অবদান রাখতে পারবেন। তার পারফরম্যান্স কীভাবে প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।






