ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ইসরায়েল আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং দক্ষিণ লেবাননে হামলা বাড়িয়েছে দিয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায় লেবাননের টাইর থেকে লিতানি নদীর উত্তরে এবং জাহরানি নদীর দক্ষিণে বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে আক্রমণ চালানো হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম ও নাবাতিয়াহ অঞ্চলে ভয়াবহ বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া কানা ও টাইরের আশপাশেও প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আজকের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে সীমান্তবর্তী শহর বিন্ত জবেইল। কৌশলগত ও প্রতীকী গুরুত্বের কারণে শহরটি ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ-উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঐতিহাসিকভাবে এই শহরের গুরুত্ব অনেক। ২০০০ সালে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবানন থেকে সরে যাওয়ার পর হিজবুল্লাহর সাবেক নেতা হাসান নাসরাল্লাহ এখানে বিজয় ভাষণ দেন। আবার ২০০৬ সালের যুদ্ধে এই শহরেই হিজবুল্লাহর টানেল কৌশলে ইসরায়েলি সেনারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে।
বর্তমানে ধারণা করা হচ্ছে, এই প্রতীকী গুরুত্ব ও গৌরব ভেঙে দিতে এবং কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতেই ইসরায়েল নতুন করে বিন্ত জবেইল দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। লেবাননের নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, শহরটির সব প্রবেশপথ ইতোমধ্যে ইসরায়েলি সেনারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
ভৌগোলিক দিক থেকেও শহরটি গুরুত্বপূর্ণ-উঁচু মালভূমিতে অবস্থিত হওয়ায় এটি সামরিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থান দেয়। পাশাপাশি এটি হিজবুল্লাহর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত।






