যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজধানী ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান। শান্তি আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখতে এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই দুই শহরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার রাত থেকেই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ৬০০-এর বেশি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে নূর খান বিমানঘাঁটি ও ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশের এলাকাগুলো রোববার মধ্যরাত থেকে সিল করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
পাকিস্তান সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি, তবে ২২ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই আলোচনা হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমন এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
নিরাপত্তার কড়াকড়িতে ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডির বেশ কিছু এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সংবেদনশীল এলাকার রেস্তোরাঁ, বাজার এবং পাবলিক পার্ক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ড্রোন উড্ডয়ন, কবুতর ওড়ানো এবং যেকোনো ধরনের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবারের সম্ভাব্য বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অংশগ্রহণের গুঞ্জন থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






