আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এবং জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সাদিক কায়েম মুখোমুখি হলে বিএনপি প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে- এমন মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ।
শুক্রবার (১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোটের দুই সম্ভাব্য প্রার্থী আলাদা আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তরুণ ভোটব্যাংক বিভক্ত হবে। এতে বিএনপি প্রার্থী তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকবে, বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী হিসেবে তারা মাঠে বাড়তি সুবিধা পাবে।
রিফাত রশিদ আরও বলেন, সাদিক কায়েম বর্তমানে ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় দলীয় নিয়ম অনুযায়ী জামায়াতের প্রার্থী হতে হলে তাকে পদত্যাগ বা সাংগঠনিকভাবে ছুটি নিতে হতে পারে। এতে তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, বিশেষ করে ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে ওঠার সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে আরও বলা হয়, যদি নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না আসে, তাহলে সাদিক কায়েমের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকায় নির্বাচনে হারলেও তার রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখার সুযোগ থাকবে।
জোট রাজনীতির প্রসঙ্গে রিফাত রশিদ সতর্ক করে বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১১ দলীয় জোটে বিভক্তি তৈরি হলে তা জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। এ অবস্থায় জোটের নেতাদের আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানোর পরামর্শ দেন তিনি।






