ঢাকা   রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

এক পরিবারের ৫ জনকে হত্যা: ফোরকানকে আসামি করে মামলা

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০৪:৩২ এএম

এক পরিবারের ৫ জনকে হত্যা: ফোরকানকে আসামি করে মামলা

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক পরিবারের পাঁচ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ফোরকান মোল্লাকে (৪০) প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় আরও তিন-চার জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হত্যাকাণ্ডের শিকার শারমিন খানমের বাবা শাহাদাত মোল্লা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলাটি করেন। এর আগে শুক্রবার (৮ মে) রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের ভাড়া বাসায় হত্যাকাণ্ড ঘটে। অভিযুক্ত ফোরকান গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের মো. আতিয়ার রহমানের ছেলে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। নিহতরা হলেন- ফোরকান মোল্লার স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তার তিন মেয়ে মীম খানম (১৪), উম্মে হাবিবা (৮) ও ফারিয়া (দেড় বছর) এবং শ্যালক রসুল মোল্লা (১৮)।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, ‌‘মামলায় শারমিন খানমের স্বামী ফোরকানকে প্রধান করে অজ্ঞাত চার জনকে আসামি করা হয়েছে। ফোরকানকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

ঘটনাস্থলের ভিডিওতে দেখা গেছে, তিন সন্তানের লাশ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। শারমিনের ভাই রসুলের লাশ ছিল বিছানার ওপর। আর গহনা-শাড়ি পরিহিত শারমিনের হাত-মুখ বাঁধা লাশ জানালার গ্রিলের সঙ্গে বাঁধা ছিল। সবার শরীর ছিল ক্ষত-বিক্ষত। ভারী কোনও অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৬ বছর আগে ফোরকানের সঙ্গে শারমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পর থেকে ঢাকায় থাকতেন। গত জানুয়ারি মাসে কাপাসিয়ায় গিয়ে ওই বাসায় বসবাস শুরু করেন। ফোরকান প্রাইভেটকার চালিয়ে সংসার চালাতেন। আর তার শ্যালক রসুল গাজীপুর সদরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত ফোরকান। সকালে লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ফোরকানকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

কোন জালিম শাসককে বাংলাদেশের বুকে আর চেপে বসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম। বিজ্ঞাপন শনিবার (৯ মে) বিকেলে রাজবাড়ী শহরের আজাদী ময়দানের পৌর অফিসে দৌলতদিয়ায় বাস দূর্ঘটনা ও বিভিন্ন দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম বলেন, আমরা মনে করি ও বিশ্বাস করি এই বাংলাদেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা চাই না আর কোনদিন বাংলাদেশ বিপদগ্রস্ত হোক। আর কোন জালিম শাসক বাংলাদেশে মানুষের বুকে চেপে বসতে দিব না। এই দেশের স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব যাতে মর্যাদার সাথে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে আমরা সেভাবে কাজ করবো। জামায়াত নেতারা বলেন, এই দুর্দিনে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায় ও দুর্গত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা। বিজ্ঞাপন এ সময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজবাড়ী জেলা শাখার আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরার সদস্য এ্যাড. মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. আলিমুজ্জামানের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সৌদি আরব শাখার আমির আজাদ সোবহানী, জেলার নায়েবে আমির হাসমত আলী হাওলাদার, সদর উপজেলা আমির হেলাল উদ্দিন, পাংশা পৌর আমির কাজী ফরহাদ জামিল রুপু, পাংশা উপজেলা আমির মাওলানা সুলতান মাহমুদ, কালুখালী আমির মাওলানা আব্দুর রব, ট্রেন দূর্ঘটনায় নিহত আবু তালহার মা মাহমুদা ফেরদৌসী, দৌলতদিয়ায় বাস দূর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্য লাবনী আক্তার, সড়ক দূর্ঘটনায় আহত লালন প্রমূখ। জানা গেছে, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় বাস দূর্ঘটনায় নিহত ৯ জনের পরিবার এবং ট্রেন, বাস দূর্ঘটনা ও আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত ৬জনসহ মোট ১৫ জনের হাতে আর্থিক সহায়তা ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
Advertisement
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!