রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীর বাউনিয়াবাঁধ এলাকায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জাতীয় গৃহায়নের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পুলিশের একাধিক সদস্য।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) এ ঘটনায় মিরপুরের জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকোশলী (ঢাকা ডিভিশন-১) কাওসার মোর্শেদ রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন- মোকসেদা, হাশিম, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. সামির মল্লিক, ইয়াসিন, কালা চান, পচা সুমন, কিরিস রুবেল, রাসেল হোসেন ওরফে সিন্নি রাসেল, রনি, কামাল, কালাম, শফিক প্রকাশ রিকশা চোর শফিক, সাইমন, রোবু, শাহ আলম রকি, মহর আলী, মামুন, জাবেদ, আলম, ফারুক হোসেন লাল চান, মাহিউদ্দিন সিজান ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১২০ জন। এরমধ্যে মামলার ৬ নম্বর আসামি কালা চান যুবদলের সদস্য, ২১ নম্বর আসামি লাল চান, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, পল্লবী থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহিউদ্দিন সিজান, পল্লবী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রনি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বাউনিয়া মৌজার অধিগ্রহনকৃত সরকারি জায়গা ও রাস্তার ধারে থাকা অবৈধ স্থাপনা খালি করার জন্য উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে জাতীয় গৃহায়ন কতৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযানে পুলিশ মোতায়েন ছিল। একপর্যায়ে অবৈধ দখলদার ও মামলার আসামিরা অভিযান বানচাল করতে উত্তেজনা তৈরি করে। তারা হাতে লোহার রড, হাতুড়ি, ধারালো ছ্যান, চাইনিজ কোড়াল, কাঠের কাঠাম, লাঠিসহ দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রমে নিয়োজিত পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেট ও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।
মামলার ১ ও ২নং আসামি তাদের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জাকির হোসেনকে হত্যার উদ্দেশে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে পুলিশের ৪টি বাস ভাঙচুরসহ ৪ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে।
এ ব্যাপারে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।






