ঢাকা   বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

নতুন সিদ্ধান্ত, বড় সুখবর মোটরসাইকেল মালিকদের জন্য

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:২৬ পিএম

নতুন সিদ্ধান্ত, বড় সুখবর মোটরসাইকেল মালিকদের জন্য

নতুন সিদ্ধান্ত, বড় সুখবর মোটরসাইকেল মালিকদের জন্য

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ওপর অগ্রিম আয়কর আদায়ের পরিকল্পনা থেকে বের হয়ে এসেছে সরকার। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব ব্যক্তিগত ও ব্যাপক ব্যবহৃত গরিবের যানবাহনে কোনো কর থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমও সংবাদ প্রকাশ করে।

আয়কর আরোপের সিদ্ধান্তের পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ঘেরাও, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি জমা দেন মোটরসাইকেল মালিকরা।

মোটরসাইকেল মালিকরা জানান, মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা এরই মধ্যে নিবন্ধন ফি, রোড ট্যাক্স, ফিটনেস, বীমা ও জ্বালানির ওপর বিদ্যমান কর পরিশোধ করছেন। এর সঙ্গে নতুন করে অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল-অটোরিকশা থেকে সরকার অগ্রিম আয়কর বাবদ আদায় করতে পারত অন্তত দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে অবহিত করেছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান ও সংস্থাটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। এর আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাবে সায় দিয়েছিলেন। তবে জনভোগান্তির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রথমে কর কমিয়ে অর্ধেক ও পরে এই কর বাতিলের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তবে ১৫০ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের মালিকদের বাধ্যতামূলকভাবে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নিতে হবে।

বর্তমানে শুধু সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেট কার, জিপ, বাস, ট্রাক ও পিকআপের মতো যানবাহনের ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়কর নেওয়া হয়।

মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় আগে কখনো অগ্রিম আয়কর ছিল না। তবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিসিভেদে মোটরসাইকেলে বছরে দুই হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা এবং এলাকাভেদে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা কর আরোপের পরিকল্পনা ছিল।

বর্তমানে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে এককালীন নিবন্ধন ফি এবং দুই বছর পর পর রোড ট্যাক্স দিতে হয়। ৫০ থেকে ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি ৯ হাজার ২৯১ টাকা। এরপর প্রতি দুই বছর পর পর এক হাজার ১৫০ টাকা রোড ট্যাক্স দিতে হয়। ১২৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি ১১ হাজার ৭৬৪ টাকা এবং প্রতি দুই বছর পর পর দুই হাজার ৩০০ টাকা রোড ট্যাক্স দিতে হয়।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০। সংস্থাটির কাছে সিসি-ভিত্তিক নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে ১১০ সিসি বা এর নিচের মোটরসাইকেলের সংখ্যা ১০ লাখ ধরে হিসাব করলে করযোগ্য মোটরসাইকেলের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৩৮ লাখ। গড়ে প্রতিটি মোটরসাইকেল থেকে চার হাজার টাকা করে কর আদায় করা হলে সরকারের কোষাগারে বছরে প্রায় এক হাজার ৫২০ কোটি টাকা যোগ হতো।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!