সুখবর ব্রাজিল দলের জন্য, শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা সফল
স্পোর্টস ডেস্ক : এক বছরের ব্যবধানেই আবারও পুরোনো ঠিকানায় ফিরলেন থিয়াগো সিলভা। গত সোমবার অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডারের প্রত্যাবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ফ্লুমিনেন্সে। নতুন চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটির জার্সিতে খেলবেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা।
গত বছরের শেষদিকে ফ্লুমিনেন্সে ছেড়ে পর্তুগিজ ক্লাব পোর্তোতে যোগ দিয়েছিলেন সিলভা। ইউরোপীয় মৌসুম শেষ হওয়ার পর দুই পক্ষের চুক্তি বাতিল হলে তিনি ফ্রি এজেন্টে পরিণত হন। আর তখন থেকেই নিজেদের ঘরের ছেলেকে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা শুরু করে ফ্লুমিনেন্সে। দীর্ঘ আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা সফল হয়েছে।
মজার ব্যাপার হলো, ২০২৫ সালের শেষ দিকে সিলভার বিদায়টা ফ্লুমিনেন্সের পরিকল্পনায় ছিল না। ক্লাব কর্তৃপক্ষ চেয়েছিল চুক্তি অনুযায়ী অন্তত ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি দলের সঙ্গেই থাকুন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।
সে সময় ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ল্যান্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ফ্লুমিনেন্সের ম্যানেজমেন্ট অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডারকে যত দিন সম্ভব ক্লাবে রাখার পক্ষেই ছিল। তবে ব্যক্তিগত ও পেশাদার কারণেই ইউরোপে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সিলভা।
তার সেই সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল দুটি বড় কারণ। প্রথমত, ইংল্যান্ডে থাকা পরিবারের কাছাকাছি থাকা। দ্বিতীয়ত, ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলে জায়গা নিশ্চিত করার চেষ্টা। তবে শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। সেলেসাওদের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাননি সিলভা। ফলে পোর্তোর সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে পরিচিত এবং আবেগঘন ঠিকানাতেই ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
অবশ্য শুরুতে ফ্লুমিনেন্সে প্রত্যাবর্তন খুব একটা বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা বলে মনে হয়নি। ইউরোপে ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়া কিংবা বুটজোড়া তুলে রেখে কোচিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার চিন্তাও ছিল তার সামনে। কিন্তু ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে ফেরানোর উদ্যোগ ছিল অসাধারণ। নিজেদের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে ফিরিয়ে আনতে যেন আলাদা একটি ‘টাস্ক ফোর্স’ গঠন করেছিল ফ্লুমিনেন্সে। গত কয়েক দিনে আলোচনা ইতিবাচক মোড় নেয় এবং শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ক্লাবটির জার্সি গায়ে তোলার ব্যাপারে সম্মত হন সিলভা।






