ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

বিদ্যালয়ের জমি দখলের অভিযোগ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮ পিএম

বিদ্যালয়ের জমি দখলের অভিযোগ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কাফির দাবি, আদালতের রায়ের ভিত্তিতে প্রকৃত মালিকদের কাছ থেকে বায়না চুক্তির মাধ্যমে জমি নিয়ে তিনি সেখানে রাস্তা নির্মাণ করেছেন।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, প্রায় এক সপ্তাহ আগে কাফি তার ক্রয়কৃত জমিতে যাতায়াতের সুবিধার্থে বিদ্যালয়ের প্রায় ৬ শতাংশ জমির ওপর রাস্তা নির্মাণ করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিমকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৪ থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে মোট ৪০ একর ৬৪ শতাংশ জমি ক্রয় করে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে রজপাড়া মৌজার জেএল নং-৯-এর বিএস ১২ নম্বর খতিয়ানের ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির খাজনা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে হস্তান্তর করা হয়।

প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রাতের আঁধারে নুরুজ্জামান কাফি বিদ্যালয়ের ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির মধ্যে প্রায় ৬ শতাংশ দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেন। আমরা বাধা দিলে উল্টো আমাদের জীবননাশের হুমকি দেয়া হয়। বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

অভিযোগের বিষয়ে নুরুজ্জামান কাফি বলেন, আমার কেনা জমিতে যাওয়ার কোনো রাস্তা ছিল না। তাই প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ওই জমি কেনার প্রস্তাব দিই। তিনি জানান, জমি বিক্রির ক্ষমতা তার নেই এবং বিষয়টি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন। পরে জানতে পারি, মোবারক পঞ্চায়েতের ওয়ারিশরা দীর্ঘদিনের মামলায় উচ্চ আদালতের রায় পেয়েছেন। এরপর তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে নিয়ে দখল বুঝে পাই। সেই জমির ওপরই আমি রাস্তা নির্মাণ করেছি।

মোবারক পঞ্চায়েতের নাতি সালাউদ্দিন নয়ন পাহলান বলেন, আমাদের পরিবারের সঙ্গে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রায় ৩০ বছর ধরে জমি নিয়ে মামলা চলেছে। ২০২৫ সালের জুনে পটুয়াখালীর আদালত ও সুপ্রিম কোর্টে আমাদের পক্ষে রায় হয়। পরে নুরুজ্জামান কাফির চলাচলের সুবিধার্থে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে তাকে দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী জমিটির মালিক আমরা। তাই রাস্তা নির্মাণে বাধা দেয়ার আইনগত ভিত্তি নেই।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ও পাল্টা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জমিটির প্রকৃত মালিকানা এবং রাস্তা নির্মাণের বৈধতা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন