কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় পুকুরের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে ধরে এক কাতার প্রবাসী বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে।
হামলায় প্রবাসী প্রাণে রক্ষা পেলেও তার বৃদ্ধ বাবা-মাসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে সন্ত্রাসীরা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের দৈয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত বৃদ্ধ দম্পতি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। ঘটনায় পরদিন প্রবাসী বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, পুকুরের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরেই মঙ্গলবার বিকেলে দৈয়ারা গ্রামের শরীফ, হোসেন, আকতারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়।
এসময় তার বাবা, মা, ভাই ও বোনকে কুপিয়ে জখম করে।
আহতরা হলেন দৈয়ারা গ্রামের জয়নাল আবেদীন (৭৫), তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৭০), কাতার প্রবাসী ছোট ছেলে বিল্লাল হোসেন, মেয়ে হাজেরা বেগম ও বড় ছেলে বাবুল।
আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক গুরুতর আহত ২জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
কাতারপ্রবাসী বিল্লাল হোসেন অভিযোগ করেন, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলাকারীরা তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। তিনি বলেন, “আমি কোনো রকমে দোতলার ছাদে উঠে গেট বন্ধ করে নিজেকে রক্ষা করি। আমাকে না পেয়ে তারা আমার বৃদ্ধ বাবা-মা, ভাই ও বোনের ওপর হামলা চালায়। এতে তারা গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
“অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।”
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






