রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ভিপি-জিএসসহ সম্পাদকদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদল।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়।
পরে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবন-১ এর সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন নেতাকর্মীরা। মিছিলে রাকসুর নেতাদের বিরুদ্ধে ‘ক্যাম্পাসের নতুন চোর, রাকসু তুই টাকা চোর’, ‘হৈহৈ রৈরৈ, আমার টাকা গেলো কই’, ‘ভিপির বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘জিএসের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আম্মারের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আমার টাকা গেলো কই, রাকসু তুই জবাব দে’ এবং ‘গলি গলি মে চোর হ্যায়, রাকসু তু চোর হ্যায়’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।
সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে একসময় একজন মেয়র ছিলেন। তিনি ৪০ জন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে আলিবাবার চল্লিশ চোরের মতো লুটপাট করেছিলেন। আমরা জানতে চাই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাকসুর নেতাদের এক বছরের মধ্যে এত টাকা কীভাবে দেওয়া হলো? আমরা তাকে বলতে চাই, আপনি যদি আলিবাবা হতে চান, তাহলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চল্লিশ চোর কোথায়? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০ চোর নেই, এখানে ১০ চোর রয়েছে। তাদের নেতা এই জিএস সন্ত্রাসী সালাহউদ্দীন আম্মার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আলিবাবার চল্লিশ চোরকে সরাতে যেমন সময় লাগেনি, তেমনি এই ১০ চোরকেও সরাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সময় লাগবে না।’
বিক্ষোভ মিছিলে শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে রাকসুর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘রাকসুর এ বছরের মোট বরাদ্দ প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এটি মোট বরাদ্দের পরিমাণ, আমরা কত টাকা উত্তোলন করেছি তা নয়। যিনি এই বিষয়ে সংবাদ করেছেন, তাকে রাকসু ট্রেজারারের দপ্তরে গিয়ে এখন পর্যন্ত কত টাকা উত্তোলন হয়েছে তা যাচাই করার অনুরোধ করছি।’
এআর






