পৃথক মামলায় সাবেক তিন সংসদ সদস্যকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তারা হলেন- ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও মোহাম্মদ সোলাইমান সেলিম।
আজ সোমবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ বনানী থানায় দায়ের করা একটি মামলায় শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখান। অন্যদিকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখান।
এদিকে বিএনপির কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও মোহাম্মদ সোলাইমান সেলিমকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট বনানী ও মিরপুর মডেল থানার পৃথক দুটি মামলায় ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মিরপুর মডেল থানার মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন মো. মুক্তার হোসেন। ওই সময় পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের গুলিতে তিনি আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ মামলা করা হয়।
বনানী থানার মামলায় বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বনানী এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ১৯ বছর বয়সী সোহাগ গুলিবিদ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মামলা করা হয়।
এদিকে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও সোলাইমান সেলিমকে গ্রেপ্তার দেখানো মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এক দফা দাবি আদায়ের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হতে থাকেন। এর দুই দিন আগে, ৭ ডিসেম্বর, নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। ওই সময় বিএনপির কর্মী মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন।






