ঢাকা   শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

‘এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে যদি নেপাল ঘুরে দাঁড়ায়’

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৭ পিএম

‘এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে যদি নেপাল ঘুরে দাঁড়ায়’

দক্ষিণ এশিয়াতে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের পর নেপালেও তরুণদের হাত ধরে সরকার পরিবর্তনের ঢেউ লেগেছে। জেন-জিদের আন্দোলনের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। চলছে কারফিউ। সেনাবাহিনী এখন রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে। ঠিক এই অবস্থায় কাঠমান্ডুর হোটেলে বাংলাদেশের সঙ্গে অবরুদ্ধ নেপালের খেলোয়াড়রাও। যদিও বুধবার সকাল থেকে সবাই যার যার বাসায় যাওয়া শুরু করেছে। তবে সরকার পতনের এমন আন্দোলনে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে তারাও আতঙ্কে দিন যাপন করছিল। আন্দোলন-বিক্ষোভের পর এখন তাদের চাওয়া নেপাল যেন নতুন নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

নেপালের জাতীয় দলের গোলকিপার কিরণ জেমজং। এবার ফিফা প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে নেপালকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ খেলতে না পেরে ৩৫ বছর বয়সী তারকা নিজেও ব্যথিত। কাঠমান্ডুতে হোটেল ছাড়তে ছাড়তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন,‘এমন পরিস্থিতি হবে তা ভাবতে পারিনি। অনেক দিন ধরে সবার মধ্যে ক্ষোভ চলছিল। এভাবে পুরোপুরি ফুঁসে উঠবে চিন্তার বাইরে ছিল। এখন ম্যাচ খেলতে না পেরে খারাপ লাগছে। তবে আবার এটাও চিন্তা করছি পুরো দেশ উত্তাল। আগে সবার জীবন বাঁচুক, তারপর খেলা।’

কাঠমান্ডুতে কারফিউ চললেও বুধবার নেপালের সব খেলোয়াড় নিজ নিজ বাসায় চলে গেছেন। রাস্তায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা আছেন। ফলে সমস্যা হয়নি। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা আছেন তারাও সহায়তা করেছেন। কিরণ জানালেন সর্বশেষ পরিস্থিতি,‘কাঠমান্ডুর সবই তো আমাদের চেনা-জানা। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হতেই সবাই বাসার উদ্দেশ্যে নেমে পড়ি। রাস্তায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছিলেন। স্বেচ্ছাসেবকরা সহায়তা করেছেন। তেমন কোনও সমস্যা হয়নি।’

এরপরই নেপালের হয়ে ৭৯ ম্যাচ খেলা কিরণ জানতে চাইলেন বাংলাদেশ দলের সবশেষ অবস্থা। প্র্রতিবেদকের কাছে জেনে পাল্টা ভরসা দিয়ে বললেন,‘বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কোনও সমস্যা হবে না। হোটেলের বাইরে আগুন লাগলেও আমাদের এখানে সমস্যা হয়নি। নেপালের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তবে আপনাদের খেলোয়াড়রা কখন দেশে ফিরতে পারবে- এ নিয়ে চিন্তা হচ্ছে। আমি যতটুকু জানি এয়ারপোর্ট খুলে দিয়েছে। হয়তো শিগগিরই ঢাকা ফিরতে পারবে সবাই।’

হোটেলে অনেকটা ‘বন্দী’ থেকে যেভাবে সময় কাটিয়েছেন সেটাও জানিয়েছেন কিরণ,‘আসলে সবাই অনেকটা ভীত ছিল, কখন কী হয়। আমরা একেকজন একেকভাবে সময় কাটিয়েছি। আমি নিজে আপনাদের রাকিবের সঙ্গে গল্প করেছি, কফি খেয়েছি। রুমেই ছিলাম, যখন যতটুকু পেরেছি পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করেছি।’

এখন নেপালের অচলাবস্থা কেটে সুন্দর এক ভোরের প্রত্যাশা কিরণের,‘দেখুন বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাসহ আমাদের এখানে তরুণরা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। অনেক দিন ধরে আন্দোলন কম বেশি চলছিল। এবার তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। এখন যে অবস্থা তাতে করে সরকারের অনেকে পদত্যাগ করেছে। এই অবস্থায় আমাদের রাজনীতিবিদরা যদি শিক্ষা নিয়ে দেশ চালাতে পারে তাহলে ভালো। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে যদি নেপাল ঘুরে দাঁড়ায়… শুধু তাই নয় নেপালের ফুটবলও নিচের দিকে। সবকিছু যদি সামনের দিকে ভালো হয়, তাহলে আন্দোলনে স্বার্থকতা আসবে।’

কিরণ এবার বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে পুলিশ এফসির হয়ে খেলছেন। কাল সকালে তার ঢাকায় আসার ফ্লাইট। এখন বাংলাদেশের ফুটবলারের সঙ্গে তিনিও ঠিকঠাক ঢাকায় আসতে চাইছেন। আর চাইছেন দেশের মঙ্গল। 

 

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন