সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগদানে বাধা দিতে তার গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও পিপার স্প্রে ব্যবহারের মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সাত দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন জগলুল পাশার আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ জামিনের আবেদন করেন। পাশাপাশি আগামী রোববার জামিন শুনানির দিন ধার্যের আবেদন জানান তিনি। শুনানি শেষে আদালত রোববার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ৪ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরার বাসা থেকে জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পরদিন ৫ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। সেদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ৬ আগস্ট আদালত তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ এজাহারনামীয় ১১১ আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জন অস্ত্রশস্ত্রসহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে অবস্থান করেন।
তারা দিনভর সেখানে অবস্থান করে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মারধর করেন এবং সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে খালেদা জিয়া সফরসঙ্গীদের নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে আসামিরা তার চলাচলে বাধা দেন। এ সময় বালুভর্তি ট্রাকসহ বিভিন্ন ট্রাক দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়। খালেদা জিয়া একাধিকবার বের হওয়ার চেষ্টা করলেও আসামিরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন এবং হত্যার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পিপার স্প্রে ব্যবহার করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এতে খালেদা জিয়াসহ তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা আহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর গুলশান থানায় মামলা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন।
বার্তা বাজার/ আইকে






