ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে দেশটিকে সহায়তা করা যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
সম্প্রতি এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন জেনারেল ড্যান কেইন এই কড়া হুঁশিয়ারি বার্তা দেন। তিনি জানান, ইরানকে সহায়তা করার চেষ্টা করছে এমন যেকোনো নৌযানকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ধাওয়া করবে। বিশেষ করে ইরানের তেল পরিবহনকারী তথাকথিত ‘ডার্ক ফ্লিট’ বা ছায়া জাহাজগুলো এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হবে।
জেনারেল কেইন স্পষ্ট করে বলেন, এই এনফোর্সমেন্ট বা প্রয়োগ কার্যক্রম কেবল আন্তর্জাতিক জলসীমায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ইরানের নিজস্ব আঞ্চলিক সমুদ্রসীমার ভেতরে এবং আশেপাশেও চালানো হবে।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধের বিষয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে:
১. ইরানের বন্দরগুলোতে আসা বা সেখান থেকে ছেড়ে যাওয়া সমস্ত জাহাজের ওপর এই অবরোধ কার্যকর হবে।
২. যদি কোনো জাহাজ এই অবরোধ মানতে অস্বীকার করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগ করতে দ্বিধা করবে না।
৩. ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কারণে ১৩টি জাহাজ তাদের যাত্রাপথ পরিবর্তন করে ফিরে গেছে।
৪. তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজে তল্লাশির জন্য আরোহন (board) করেনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে। ইরানের তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করতেই ওয়াশিংটন এই মারমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






