ঢাকা   বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ভারতে বাজার করতে বেরিয়েছিলেন মুসলিম নারী, তুলে বাংলাদেশে পুশ-ইন

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম

ভারতে বাজার করতে বেরিয়েছিলেন মুসলিম নারী, তুলে বাংলাদেশে পুশ-ইন

ভারতের মুম্বাইয়ে বাজার করতে যাওয়ার পথে এক মুসলিম গৃহবধূকে ধরে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে পুলিশ। ভুক্তভোগী নারীর স্বামী ও পরিবারের লোকেরা বলছেন, তারা জন্মগতভাবে ভারতের নাগরিক এবং তাদের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের পক্ষে একাধিক নথি-প্রমাণ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই নারীর নাম সাইদা ফকির। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর ব্লকের গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গত ২০ বছর ধরে তিনি তার স্বামী জুম্মান ফকিরের সঙ্গে মুম্বাইতে গাড়ি পরিষ্কারের কাজ করে আসছিলেন।

জুম্মান একটি হাউজিং সোসাইটিতে কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করেন। তাদের ১২ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। সে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে।

পরিবারের অভিযোগ, গত ১৮ জুলাই সকালে বাজারে যাওয়ার সময় সাইদাকে মুম্বাই পুলিশ আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একটি হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।

খবর পেয়ে তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা মহারাষ্ট্রের চেম্বুর থানায় যান। তারা সাইদার জন্মসনদ, স্কুলের সনদ, বাবা-মায়ের পরিচয় ও অন্যান্য নথি পুলিশের কাছে তুলে দেন।

পরিবারের দাবি, এসব নথি যাচাই করে দেখার কথা জানিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু তিনদিন পর জুম্মানকে জানানো হয়, সাইদাকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর স্বামীকে ফোন করে নিজের দুরবস্থার কথা জানান সাইদা। স্বামীকে তিনি জানান, সাতক্ষীরায় পৌঁছানোর পর চাষের জমি ও কাদার মধ্য দিয়ে কয়েক কিলোমিটার হাঁটেন। পরে একটি প্রধান সড়কে পৌঁছালে স্থানীয় কয়েকজন তাকে দেখতে পান। স্থানীয় একটি পরিবার তাকে আশ্রয় দেয়। তারা সাইদাকে পোশাক এবং খাবারও দেন।

জুম্মান জানান, তার স্ত্রী বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছেন এবং ভারতে ফিরতে চান। বিশেষ করে ১২ বছরের ছেলের সঙ্গে দেখা করতে ব্যাকুল হয়ে আছেন সাইদা।

জুম্মান আরও জানান, তিনি ও তার স্ত্রী দুজনই জন্মগতভাবে ভারতের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তারা মুম্বাইয়ে বসবাস করছেন।

তার অভিযোগ, ভারতীয় নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও সাইদাকে প্রথমে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়। পরে তাকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়।

জুম্মানের দাবি, তাদের একমাত্র চাওয়া পরিবারের সদস্যকে দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনা।

সাইদাকে ভারতে ফেরাতে কলকাতা ইতোমধ্যে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তার পরিবার। এ ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ করেছে পশ্চিমবঙ্গের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম)।

বার্তা বাজার/এআর

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন