ঢাকা   শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাকে ঢাকায় রেখ না, ঢাকার বাইরে নিয়ে যাও’

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাকে ঢাকায় রেখ না, ঢাকার বাইরে নিয়ে যাও’

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করতে এক বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা হচ্ছে আজ। বেলা ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের ৬৪টি জেলায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হবে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আশির দশকের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক মেধা অন্বেষণ কর্মসূচি নতুন কুঁড়ির আদলে এবার ক্রীড়াঙ্গনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ফুটবল, ক্রিকেটসহ আটটি ইভেন্টে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি নিবন্ধিত প্রতিযোগী।

কার্যক্রমের শুরুটা ঢাকায় করতে চাইলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইচ্ছাতেই তা সিলেট থেকে হচ্ছে। সিলেটের এক পাঁচ তারকা হোটেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম ঢাকা থেকে করার জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন—না আমাকে ঢাকায় রেখ না, আমাকে ঢাকার বাইরে নিয়ে যাও। কারণ, সব সময় ঢাকা থেকে সবকিছু শুরু করা হয়, তবে আমি চাই যে খেলাধুলাটা ঢাকার বাইরে থেকে শুরু হোক।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বাংলাদেশের স্পোর্টসকে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। দেশ গড়ার পরিকল্পনার ভেতরে স্পোর্টস ছিল একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের একদম তৃণমূলের প্রতিভাগুলোকে দৃশ্যমান করবে।’

প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা ও খেলোয়াড় বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিকেএসপি ও স্থানীয় অভিজ্ঞ কোচদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী প্যানেল কাজ করছে। প্রতিভাবান কেউ যেন বাদ না পড়ে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। আমিনুল হক বলেন, ‘অনেক খেলোয়াড় হয়তো ভালো খেলছে কিন্তু তার দল কোয়ালিফাই করতে পারেনি, আমরা তাদেরও ফেলে রাখছি না। আমরা সেই প্রতিভাকে তুলে নিয়ে আসব। এখান থেকে যারা বের হয়ে আসবে, তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার যাবতীয় দায়িত্ব (ক্রীড়া বৃত্তি) সরকার বহন করবে।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি ফরম্যাট ও বাৎসরিক ক্যালেন্ডার তৈরি করেছি যে ভবিষ্যতে আমরা না থাকলেও এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। আগামী বছর থেকে আমরা এটি ইউনিয়ন লেভেলে নিয়ে যেতে চাই।’

সামাজিক অবক্ষয় ও মাদক নির্মূলে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মাদকের করাল গ্রাসে আমাদের যুবসমাজ যেভাবে ধ্বংসের পথে চলে গেছে, আমরা আশা করি খেলার মাঠে যুবকেরা ফিরে আসলে মাদক থেকে দূরে থাকবে। এ ছাড়া আমাদের সন্তানদের ডিভাইসের আসক্তি থেকেও কিছুটা রক্ষা করা সম্ভব হবে।’

ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিকস, কাবাডি, সাঁতার, ব্যাডমিন্টন, দাবা ও মার্শাল আর্টে অংশ নেবে খেলোয়াড়েরা। প্রাথমিকভাবে আটটি ডিসিপ্লিন থাকলেও ভবিষ্যতে আর্চারি, শুটিং ও টেবিল টেনিসের মতো অলিম্পিক ইভেন্টগুলোকেও এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!