ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণ প্রকল্পেরই অংশ, ঝুঁকি নেই : সেতুমন্ত্রী

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫১ এএম

পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণ প্রকল্পেরই অংশ, ঝুঁকি নেই : সেতুমন্ত্রী

সড়ক, সেতু ও রেল পরিবহন মন্ত্রী রবিউল আলম বলেছেন, পদ্মা রেলওয়ে সেতুর নিচে মাটি অপসারণ প্রকল্পের প্রয়োজনেই করা হয়েছে এবং এতে সেতুর নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি নেই। সম্প্রতি ভায়াডাক্টের নিচে মাটি কাটার বিষয়ে যেভাবে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তাতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রবিউল আলম বলেন, ‘মাটি অপসারণের বিষয়টি সত্য হলেও এটি কোনো অপরিকল্পিত বা স্বেচ্ছাচারী কাজ নয়। বরং প্রকল্পের চুক্তি ও নকশা অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই কাজ করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের জন্য জলাভূমির ওপর অস্থায়ী ভরাট করা হয়েছিল।

প্রকল্প শেষ হওয়ার পর সেই ভরাট অপসারণ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বাধ্যবাধকতা চুক্তিতেই রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ইতিমধ্যে ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪ দশমিক ৪১ কিলোমিটার অংশের অস্থায়ী ভরাট অপসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার অংশের কাজ বাকি রয়েছে। পরিবেশের স্বাভাবিক জলপ্রবাহ ও জলাভূমির ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থেই এই কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।’

গড়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট মাটি অপসারণের পর মূল প্রাকৃতিক স্তরে পৌঁছানো যাবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আর সেই স্তরেরও প্রায় সাত থেকে আট ফুট নিচে রয়েছে পাইল ক্যাপ, যার পুরুত্ব ছয় ফুট। এর আরও নিচে প্রায় ২০০ ফুট গভীরে আটটি পাইলের ওপর পুরো ভায়াডাক্ট দাঁড়িয়ে আছে। ফলে মাটি অপসারণের সঙ্গে সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তার কোনো নেতিবাচক সম্পর্ক নেই।’

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষজ্ঞদের নকশা ও তত্ত্বাবধানে কাজটি পরিচালিত হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তাই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভবিষ্যতে রেলপথ সম্প্রসারণের প্রয়োজন হলেও সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জমি দেশের স্বার্থেই সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা হবে।

রেলওয়ের জায়গা রেলওয়ের প্রয়োজনেই ব্যবহার হবে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে যেটুকু মাটি অপসারণ প্রয়োজন, সেটুকু অবশ্যই করা হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ ও নিরাপত্তার বিষয়েও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন